নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিজেপির শহীদ তর্পণ ঘিরে বাগবাজার ঘাটে ধুন্ধুমার। মিললো না তর্পনের অনুমতি। এরপরই কৈলাস বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে পথ অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। পরে কার্যত পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়েই বাগবাজারের পাশের ঘাট গোলাবাড়ি ঘাটে চলল তর্পনুষ্ঠান। এই ঘটনায় ছয়জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিনের এই সমগ্র ঘটনার নিন্দা করে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ‘হিন্দুবিরোধী সরকার’ বলে আক্রমণ করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক রাহুল সিনহা।

রাজনৈতিক হিংসায় বলি হওয়া বিজেপির ‘শহীদ’ কর্মীদের উদ্দেশ্যে তর্পনের আয়োজন করা হয়েছিল বাগবাজার ঘাটে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গের ২২ টি পরিবারকে। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অরবিন্দ মেনন, মুকুল রায় ও রাহুল সিনহারা।

এদিকে করোনা আবহে অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। মঙ্গলবার রাতে আসেই মঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ। এরপর বুধবার সকাল থেকেই বাগবাজার ঘাটে ঢোকার পথে ব্যারিকেড দিয়ে দেয় পুলিশ। এরপরেই কার্যত পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে বাগবাজারের পাশের ঘাট গোলাবাড়ি ঘাটে তর্পনের আয়োজন করে বিজেপি। সেখান থেকে উঠে যেতে বললে, পুলিশের সঙ্গে কার্যত ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। এরপরেই কৈলাস বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে চলে পথ অবরোধ। এই ঘটনায় ছয়জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়, বাগবাজার ঘাটে অনুষ্ঠানের জন্য অনুমতি ছিল না। করোনা আবহের কথা মাথায় রেখেই অনুমতি দেওয়া হয়নি। যদিও বিজেপির দাবি, আগে থেকেই পুলিশের কাছে লিখিত অনুমতি চাওয়া হয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here