ডেস্ক: পাঁচ রাজ্যে ইতিমধ্যেই বেজে গিয়েছে বিধানসভা নির্বাচনের রণডঙ্কা। ভোটযুদ্ধে বিজেপিকে টেক্কা দিকে, প্রচারের একেবারে শেষ মুহূর্তে এসে মধ্যপ্রদেশে নিজেদের ইস্তাহারপত্র পেশ করল কংগ্রেস। এদিন নিজেদের ইস্তেহার পত্রে জনগণের উদ্দেশ্যে কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতি, ক্ষমতায় এলে মধ্যপ্রদেশের কৃষকদের সমস্ত ঋণ মুকুব করে দেবে তারা। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য বিদ্যুতের দামও অর্ধেক করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয় কংগ্রেসের তরফে।

সম্প্রতি, ভোটের টিকিট বিতরণ ইস্যুতে কংগ্রেসের মধ্যে দেখা গিয়েছিল দ্বন্দ্ব। এদিনের ইস্তেহার পত্র প্রকাশের অনুস্থানে সেই দ্বন্দ্বকে ভুলে গিয়ে পাশাপাশি দাঁড়ান, কমলনাথ, দিগ্বিজয় সিংহ, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধ্রিয়া ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা। এদিনের এই অনুষ্ঠান মঞ্চে বিজেপিকে তুলোধোনা করার পাশাপাশি যে প্রতিশ্রুতি কংগ্রেস দিয়েছে তা নিম্নরূপ-
১. দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য মধ্যপ্রদেশে কমিশন গঠন করবে কংগ্রেস।
২. সামাজিক সুরক্ষা পেনশনের টাকা ৩০০ থেকে বাড়িয়ে করা হবে ১০০০ টাকা।
৩. মহিলাদের সমস্ত রকম সহায়তা মূলক ঋণ মাফ করা হবে।
৪. রাজ্যের মেয়েদের বিয়ের জন্য ৫১ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
৫. বিধান পরিষদ গঠন করা হবে। এবং পরিবারের একজন বেকার যুবককে মাসিক হাজার টাকা করে বেকার ভাতা দেওয়া হবে।

একদিকে যখন মধ্যপ্রদেশে ইস্তেহার প্রকাশ করছে কংগ্রেস অন্যদিকে তখন ছত্তিসগড়ের সভামঞ্চে দাড়িয়ে ইস্তেহার প্রকাশ করলেন রাহুল গান্ধী নিজে। ছত্তিসগড়ের রমণ সিংয়ের বিধানসভা কেন্দ্র রাজনন্দগাওয়ে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতায় এলে প্রথমেই মুকুব করা হবে কৃষি ঋণ, কৃষকদের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য। যেখানে ধানের সহায়ক মূল্য থাকবে কুইন্টাল প্রতি ২,৫০০ টাকা ও ভুট্টার মূল্য প্রতি কুইন্টাল ১,৭০০ টাকা ও স্বামীনাথন কমিশনের প্রয়োগ ও মাদকদ্রব্যের উপর নিষেধাজ্ঞা। পাশাপাশি ৬০ বা তার বেশি বয়সী কৃষিজীবিদের জন্য পেনশনের ব্যবস্থাও করা হবে, পরিবারপিছু প্রতি মাসে মাত্র ১ টাকায় ৩৫ কেজি চাল দেওয়া হবে। সঙ্গে রাজীব যোজনার আওতায় প্রায় ১০ লক্ষ বেকারকে মাসিক ভাতা দেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here