ডেস্ক: ম্যাচে আধিক্য রেখেও তিন পয়েন্ট অধরা রইল চেলসির কাছে। নির্ধারিত সময়ে ৬০ শতাংশেরও বেশী বল ছিল ‘দ্যা ব্লুজদের’ পায়ে। কিন্তু কাজের কাজটি করছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। অর্থাৎ, গোল তুলে নেওয়া। বরং বলা ভালো, কাজের কাজটি করে গেলেন অ্যান্টনিও মার্শাল। প্রথমার্ধ্বে অবশ্য এগিয়ে গিয়েছিল মাউরিজিও সারির দল। সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার রুডিগের গোলে এগিয়ে যায় চেলসি। বিরতির আগে পর্যন্ত স্কোরলাইন ছিল ১-০। তখন অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন আরও একটি হারের মুখ দেখতে চলেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

বিরতির পরেও যথারীতি ম্যাচের আধিক্য বজায় থাকে চেলসি মিডফিল্ডারদের পায়ে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচের কথা মাথায় রেখে দুই দলের ম্যানেজারই নামিয়েছিলেন পূর্ণ শক্তির দল। একদিকে যেমন মাউরিজও সারির সামনে রয়েছে লিগ জয়ের হাতছানি। তেমনই সমালোচকদের জবাব দেওয়ার তাগিদ ছিল ম্যান ইউ কোচ হোসে মোরিনহোর। ম্যাচে বল পজিশন জোরগিনহো, কন্তেদের পায়ে থাকলেও, আক্রমণের ক্ষেত্রে দুই দলের পরিসংখ্যানে উনিশ-বিশের ফারাক। উভয় দলেরই শটস অন টার্গেট চারটি করে। দ্বিতীয়ার্ধ্বের ৫৫ মিনিটে মার্শিয়াল সমতা ফেরানোর পর কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিলেন চেলসি ম্যানেজার। বিশেষত ৭৩ মিনিটে সেই মার্শিয়ালই যখন ম্যান ইউকে ম্যাচে লিড দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। আক্রমণভাগে ঝাঁঝ বাড়াতে অলিভিয়া জিরৌ, পেদ্রোকে একে একে মাঠে নামান সারি।

কিন্তু কাজের কাজটি যেন এদিন কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না এদিন। অবশেষে সুপার সাব হিসাবে ধরা দিলেন রস বার্কলে। ম্যান ইউ ফ্যানরা যখন হাসি মুখে বাড়ি ফেরার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন, তখনই চেলসির হয়ে দ্বিতীয় গোল করে গেলেন বার্কলে। ম্যাচ শেষ হল ২-২ গোলে। পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে গোল ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দুই তাবড় ক্লাবকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here