ডেস্ক: রাত পোহালেই সোমবার সকালে ফের পাহাড়ের পথে পা বাড়াবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্দ্যেশ্য ‘হিল বিজনেস সামিট ২০১৮’ তে যোগদান। আগামী ১৩ ও ১৪ মার্চ দার্জিলিং শহরের ম্যাল চৌরাস্তায় বসতে চলেছে দুদিনের শিল্প সম্মেলন। সেই সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের অন্তত এক ডজন মন্ত্রী ও ডজন দুই শিল্পপতি। সব কিছু ঠিক থাকলে সেই সম্মেলনেই উঠে আসতে পারে পাহাড়ের অর্থনীতিতে চাঙ্গা করার নতুন অক্সিজেন, শিল্পগত বিনিয়োগ। সেটা চা-বাগান কেন্দ্রিকও হতে পারে আবার পর্যটন সম্পর্কীতও হতে পারে। যে দিকেই বিনিয়োগ আসুক না কেন, সেটা পাহাড়ের অর্থনীতিকে ফের চাঙ্গা করার পক্ষে সহায়ক হয়ে উঠতে পারে।

বিনয় তামাং নেতৃতাধীন জিটিএ বোর্ড আয়োজিত এই সম্মেলনের দিকেই এখন তাকিয়ে তামাম পাহাড়বাসী। সম্মেলন সফল হলে নিঃসন্দেহে তা পাহাড়ের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক জমিতে বিনয় তামাং ও অনিল থাপার হাত শক্ত করার পাশাপাশি পাহাড়ে রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণও আরও মজবুত করে তুলবে। কারণ পাহাড়ে যেমন এই প্রথম শিল্প সম্মেলন হতে চলেছে তেমনই তার একটা ক্রেডিট অবশ্যই যেতে চলেছে বিনয় তামাং ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। পাহাড়ে সুভাষ ঘিসিং ও বিমল গুরুং কারোর জমানাতে অর্থনীতির উন্নয়নের সহায়ক হতে পারে এমন কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সম্মেলন সফল হবার পাশাপাশি পাহাড়ে বিনিয়োগ এলে তা পাহাড়বাসীর কাছেও বিমল তামাং ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দেবে।

উল্লেখ্য চলতি বছরের প্রথম দিকেই কলকাতায় আয়োজিত বেঙ্গল বিজনেস সামিটে যোগদান করে তামাং পাহাড়ে শিল্প সম্মেলন করার প্রস্তাব দেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। এবার সেই সম্মেলন উদ্বোধন করতেই পাহাড়ে পা রাখতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধায়। পাশাপাশি সম্মেলন সফল হলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে যাবে বিমল গুরুং শিবিরে। পাহাড়ের রাজনীতিতে ফিরতে চাওয়া বিমল গুরুংয়ের গ্রহনয্যোগতাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলে দেবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here