national news
Highlights

  • এখনও কিছু ভারতীয় নাগরিক আটকে রয়েছেন চিনে
  • তাদের উদ্ধার করার জন্য তৈরি ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান
  • অভিযোগ, বিমানটিকে উহানে যাওয়ার ছাড়পত্র দিচ্ছে না চিন

মহানগর ওয়েবডেস্ক: করোনা বিধ্বস্ত চিন থেকে নিজেদের নাগরিকদের উদ্ধার করে এনেছিল ভারত। ধাপে ধাপে সেখান থেকে উদ্ধার করে আনা হয় ৬৪০ জনকে। তাদের কারও শরীরেই করোনাভাইরাসের উপস্থিত নেই। কিন্তু এখনও কিছু ভারতীয় নাগরিক আটকে রয়েছেন চিনে। তাদের উদ্ধার করার জন্য তৈরি ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানও। কিন্তু ওই বিমানটিকে উহানে যাওয়ার ছাড়পত্র দিচ্ছে না চিন! অভিযোগ, বিভিন্ন কারণে বেজিং প্রশাসন ‘ইচ্ছাকৃত’ দেরি করছে তারা।

সূত্রের খবর, ভারতীয় বায়ুসেনা সি-১৭ বিমান পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছে চিনের উহানে। চিকিত্‍সা সংক্রান্ত জিনিসপত্র পৌঁছে দিতে এবং সেখানে আটকে পড়া বাকি ভারতীয়দের ফেরাতে ওই বিমানটির উহানে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারত জানাচ্ছে, এই বিমানটিকে উহানে যাওয়ার সম্মতি দিতে দেরি করছে চিন, তাও ‘ইচ্ছাকৃত’। গত ২০ ফেব্রুয়ারি এই বিমানের উহানে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সম্মতি না পাওয়ায় সেটি এখনও সেখানে যেতে পারেনি। উল্লেখ্য, এটিই ভারতীয় বায়ুসেনার বৃহত্তম বিমান এবং শুধু ভারতের নয়, অন্য দেশের আটকে পড়া নাগরিকদেরও উদ্ধার করার কথা। যদিও সম্মতি না দেওয়ার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে চিন প্রশাসন।

মারণ করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক শুধু চিন নয় ইতিমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। পরিস্থিতির ভয়াবহতা আঁচ করে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক জরুরী অবস্থা জারি করেছে ‘হু’। ইতিমধ্যেই চিনে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২২০০, আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ৭৫,০০০ জন! এই অবস্থায় ভারতীয়দের আটকে থাকার ঘটনা উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। পাশাপাশি, চিনের তরফে এইরূপ ব্যবহারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভ বেড়েছে ভারতের।

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, চিনেই শুধুমাত্র ২,২৩৯ জন মারা গিয়েছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে। এবার সেদেশের জেলেও এই ভাইরাস পৌঁছে যাওয়ায় আতঙ্ক আরও ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছে ১২০ জন। অন্যদিকে, নোভেল করোনাভাইরাসে উহানের উচ্যাং হাসপাতালের ডিরেক্টরের মৃত্যু ঘিরে ক্ষোভের মুখে পড়েছে চিন সরকার। প্রথমে তাঁর মৃত্যুর খবর জানিয়েও তা চিনের সংবাদমাধ্যম থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে দাবি করা হয়, ওই চিকিৎসককে জীবনদায়ী ব্যবস্থার মাধ্যমে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। পরবর্তী সময় ফের ওই চিকিৎসকের মৃত্যুর খবর প্রকাশ করলে চিন সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন নাগরিকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here