ডেস্ক: ওয়েদার মডিফিকেশন সিস্টেম৷
যেখানে বৃষ্টি কম হয়, সেখানে বেশি করে বৃষ্টি নামানোর জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়৷
তিব্বতে বেশি করে বৃষ্টি আনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করতে চলেছে চিন৷ আর তাতেই সিঁদূরে মেঘ দেখছেন অসমের মতো ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যের মানুষ৷
প্রতিবছরই প্রবল বন্যায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে অসমের অর্থনীতি৷ আর সেই কারণে রাজ্যের মানুষ যেমন বিপুলভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তেমনই মার খায় তাঁদেক জীবিকা ৷ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, তিব্বতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য আনতে চিনের নাক গলানোয় অসম ও অরুণাচলকে ভুগতে হচ্ছে ৷ চিনের এহেন উদ্যোগ সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য, নতুন এই ব্যবস্থা রীতিমতো উদ্বেগজনক৷ বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিতে এবং চিনের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য কেন্দ্রকে তিনি অনুরোধ করেছেন৷
গতবছরই প্রবল বন্যায় ভেসে যায় অসম ৷ সরকার জানিয়েছে, প্রবল বৃষ্টি না হওয়া সত্ত্বেও অসম বন্যায় ভেসে গিয়েছিল৷ এর আগে কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছিল গত বছর চিনের কাছ থেকে ব্রহ্মপুত্র ও শতদ্রু নদীতে জল সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি৷ প্রসঙ্গত,ব্রহ্মপুত্র ও শতদ্রু নদী-সহ সীমান্তবর্তী নদীগুলির তথ্য বিনিময় নিয়ে ভারত ও চিনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি রয়েছে৷ বুধবার বেজিং জানিয়েছিল তারা তথ্য বিনিময়ে রাজি৷ গত বছর ডোকলাম নিয়ে অচলাবস্থা চলার জন্য তথ্য বিনিময়ের বিষয়টি আটকে ছিল ৷ তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র ইয়ারলুং সাংপো নামে পরিচিত৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here