news bengali national

মহানগর ওয়েবডেস্ক: বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের অন্যতম নাম এখন করোনাভাইরাস। মারণ এই রোগের ওষুধের খুঁজে উঠে পড়ে লেগেছে বিশ্বের তাবড় তাবড় বিজ্ঞানীরা। দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় আসার কথা শোনা গেলেও পাকা কথা দিতে পারেনি এখনও কেউ। এমতবস্থায় আশার মাত্রা আরো খানিক বাড়িয়ে নয়া খবর পাওয়া গেল চিন থেকে। শনিবার জানা গেল চীনের দুটি করোনা প্রতিষেধক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছরের শেষের দিকে বিশ্ব পেয়ে যাবে বহু প্রতীক্ষিত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন। চলতি বছরেই বিপুল পরিমাণে এই ভ্যাকসিন উত্পাদন করার পরিকল্পনা শুরু করেছে চিন।

চায়না ন্যাশনাল ফার্মাসিটিক্যাল গ্রুপ কো.লি সিনোফার্মের দাবি, তাদের তৈরি ভ্যাকসিন ২ হাজাররেরও বেশি মানুষের ওপর ক্লিনিকাল ট্রায়াল করা হয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে এই ভ্যাকসিন পুরোপুরিভাবে পার্শপ্রতিক্রিয়াহীন। সিনোফার্ম এর চেয়ারম্যান লিউ ঝিনচেন এদিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, শুক্রবার আরো ১৮০ জন্য শরীরে এই ভ্যাকসিন প্রবেশ করানো হয়েছে। বর্তমানে এই সমস্ত ভলেন্টিয়ার্স এর শরীরে করোনার সঙ্গে লড়াই করার মতো পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি এই ওষুধের প্রটেক্টিভ রেট ১০০% অন্যতম বড় সাফল্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আগামী এপ্রিল মাসে করোনার দুটি ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের দ্বিতীয় পর্যায়ের অনুমতি মিলে গিয়েছে বলে জানিয়েছে ওই সংস্থা।

এদিকে করোনার ওষুধ নিয়ে আশাব্যঞ্জক খবর আসতেই বিপুল পরিমাণ উৎপাদন শুরু করার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে চিন সরকার। ইতিমধ্যেই বেজিং ইনস্টিটিউট একটি প্লান্ট তৈরি করেছে কোন ভ্যাকসিন উৎপাদনের জন্য। মাত্র তিন মাসে তৈরি করা হয়েছে কোভিড১৯ ভ্যাকসিন তৈরীর জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই প্লান্ট। দুটি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে বছরে ২০০ মিলিয়ন কোভিড-১৯ ডোজ তৈরি করতে সক্ষম তারা। সব মিলিয়ে চিনের এই আবিষ্কারে আশা দেখছে গোটা বিশ্ব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here