international news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: আন্তর্জাতিক মঞ্চে সমগ্র দেশের বিরুদ্ধে গিয়ে পাক জঙ্গিদের বাঁচাতে হাতে হাত রেখে লড়াইয়ে নামে বন্ধু চিন। প্রতিদানে পাকিস্তানও সহৃদয়তার প্রমাণ দিয়ে করোনা আক্রান্ত চিনে নিজের দেশের ছাত্রদের ফেলে আসতে দ্বিতীয়বার ভাবে না। গলায় গলায় ভাব এমন প্রিয় বন্ধুর দুঃখের দিনে আরও পাশে ঘেঁষে দাঁড়াল কমিউনিস্ট দেশ চিন। দুর্দশাগ্রস্ত পাকিস্তানে ইমরান সরকারের সাহায্যে ১ লক্ষ হংসসেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল তারা।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়ে, পাকিস্তানের একাধিক জায়গায় পূর্ব আফ্রিকান পঙ্গপালের হানাদারি বেড়েছে। যার জেরে পাকিস্তানের একের পর এক জায়গায় কার্যত শ্মশানে পরিনত হয়েছে চাষের জমি। নষ্ট সমস্ত শস্য। পরিস্থিতির জেরে পাকভূমে খাদ্যসংকট হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে সেখানকার সরকার। এমন পরিস্থিতিতেই চিনের শরণাপন্ন হয় পাকিস্তান। প্রিয় বন্ধুর এমন দুঃসময়ে তাদের পাশে এসে দাঁড়াল দিন সরকার। চিনা সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের তরফে জানাব গিয়েছে, পাকিস্তানের ওই পঙ্গপালকে ধ্বংস করতে শীঘ্রই ১ লক্ষ বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হাঁসকে পাঠানো হবে পাকিস্তানের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায়।

জানা গিয়েছে, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই চিন এক বিশেষ দলকে পাঠিয়েছে পাকিস্তানের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সিন্ধু, বালুচিস্তান, পঞ্জাবের মতো এলাকাগুলিতে। ওই দলের রিপোর্ট হাতে আসার পর ১ লক্ষ বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হাঁসকে পাঠানো হবে পাকিস্তানে। চিনের দাবি, মুরগির তুলনায় এই সমস্ত হাঁস পঙ্গপালের জন্য অনেক বেশি বিপজ্জনক। কারণ মুরগির তুলনায় হাঁস দলবদ্ধ ভাবে থাকতে ভালবাসে। ফলে পোকা পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করতে অনেকবেশি লাভজনক এই হাঁস। কারণ এদের জীবনীশক্তি অনেক বেশি। চরম ঠাণ্ডাতেও সহজে মানিয়ে নিতে পারে এরা। এবং পঙ্গপালের পুরো পরিবার নিশ্চিহ্ন করতে এদের কোনও বিকল্প নেই।

চিনের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি মুরগি সারা দিনে ৭০ টি পঙ্গপালকে খেতে পারে একটি মুরগি। সেই জায়গায় একটি হাঁস সারা দিনে ২০০ পঙ্গপালকে খেয়ে নিতে পারে। অর্থাৎ মুরগির তুলনায় যা ৩ গুণ বেশি কার্যকরি। ২০০০ সালে চিনকেও একই সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। সেখানে তাঁদের রক্ষাকর্তা হয়ে উঠেছিল এই হাঁস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here