news international

মহানগর ওয়েবডেস্ক: লাদাখে প্যানগং লেকের ধারে চার নম্বর ফিঙ্গার এলাকা থেকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে চিনা ফৌজ। নবতম উপগ্রহ চিত্রে অন্তত এমনটাই ধরা পড়েছে। যদিও এখনও বেশ অনেকই চিনা সৈন্যদের তাঁবু দৃশ্যমান। ফলে পুরোপুরি ভাবে এখনই ওই এলাকা থেকে যে সরছে না চিনা ফৌজ, তা সুস্পষ্ট।

এছাড়া লেকের জেটিতে (এলএসির ভারতীয় অংশে) এখনও এগারোটি চিনা বোটের ছবিও ধরা পড়েছে। যদিও ওই বোটগুলি বিভিন্ন ধরণের। এছাড়া একটি চিনা ফাস্ট ইন্টারসেপ্টর ক্রাফটও সেখানে রয়েছে। জেটির কাছেই আবার চিনা পতাকা মাটির ওপর খোদাই করা রয়েছে, যা ধরা পড়েছে উপগ্রহের ক্যামেরায়। ওই অংশেই এখনও প্রচুর চিনা সেনা ছাউনি এখনও বর্তমান।

উল্লেখ্য, এর আগে চিনা সেনাবাহিনী গালোয়ান নদীর উপত্যকা সহ লাদাখের কমপক্ষে তিনটি জায়গা থেকে এক কিলোমিটার দূর পর্যন্ত নিজেদের সেনাকে পিছিয়ে নিয়েছে। এই তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর ভারতীয় সেনারাও ক্রমশ পিছু হটে এবং উভয় পক্ষের মধ্যে একটি বাফার জোনও তৈরি করা হয়।

গালোয়ানে ভারতীয় এলাকায় আর ঘাপটি মেরে বসে নেই চিন সেনা। নদীর ধারে যে বেআইনিভাবে তারা তাঁবু বানিয়ে বসেছিল সেগুলিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

লাদাখ সীমান্তে ভারত এবং চিনের সংঘর্ষের কারণে উত্তেজনা তৈরি হয় গোটা দেশে। ২০ জন জওয়ান শহিদ হওয়ার ঘটনায় চিনের বিরুদ্ধে কার্যত বদলা নেওয়ার আওয়াজ ওঠে দেশে। একাধিকবার বৈঠক আবার সত্ত্বেও সেই উত্তেজনা কমেনি। এরপর চিনকে হাতে না মেরে ভাতে মারা পদক্ষেপ নিয়ে ৫৯ চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের এই পদক্ষেপে উদ্বিগ্ন হয় বেজিং প্রশাসন। পরবর্তী ক্ষেত্রে কাউকে কিছু না জানিয়ে আচমকা লাদাখে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানেই কার্যত খেলা ঘুরে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here