ডেস্ক: লোকসভা পূর্বে নারদা সারদার মতো অর্থিক তছরুপের তদন্তের গতি বাড়াতে উঠে পড়ে লেগেছে সিবিআই। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে রাজ্যের শাসক দলকে বিপাকে ফেলতেই এই আয়োজন শুরু করেছে মোদী সরকার। রাজ্য রাজনীতির এই দাবার বোর্ডে অবশ্য পিছিয়ে নেই শাসকদলও, বিজেপিকে ‘চেক মেট’ করতে শিশুপাচার ও আবাসন কেলেঙ্কারির তদন্তের খাতা নতুন করে খুলল সিআইডি।

প্রায় এক বছর পর শনিবার জলপাইগুড়ি শিশুপাচার কাণ্ড ও বসিরহাটের আবাসন কেলেঙ্কারির তদন্ত নতুন করে শুরু করতে রাজ্যের ডিজিপির সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে বসেন সিআইডির তদন্তকারী অফিসাররা। এই তদন্তে যে বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা বিপাকে পড়তে পারেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ফলে শিশু পাচার কান্ডে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে নতুন করে জেরা করা হতে পারে। সঙ্গে অবশ্য বাদ যাবেন না আবাসন কেলেঙ্কারিতে অভিযোগের আঙুল ওঠা শমীক ভট্টাচার্য্যও। ফেল বিজেপির বিপদ যে বাড়ছে তা নতুন করে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে এটি শাসক দলের প্রতিহিংসা বলে উল্লেখ করেছে বিজেপির একাংশ। অর্থিক তছরুপের তদন্তে নামা সিবিআইয়ের পাল্টা দিতেই মাঠে নামানো হচ্ছে সিআইডিকে।

উল্লেখ্য, 2017 সালের শুরুতেই জলপাইগুড়িতে প্রথম শিশুপাচার কাণ্ড প্রকাশ্যে আসে৷ তদন্তে নেমে বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতার নাম উঠে আসে। যে তালিকায় ছিলেন, রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় মতো নেতারা। একাধিকবার জেরাও করা হয় তাঁদের। রেকর্ড করা হয় তাঁদের বয়ানও। অন্যদিকে, বসিরহাটের আবাসন কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে বিজেপির একাধিক জেলা স্তরের নেতাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। তদন্তের মুখে পড়তে হয় বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য্যকেও। নতুন করে সিআইডি সেই তদন্তে নামায় ফের জেরার মুখে পড়তে পারেন বিজেপির এই সমস্ত নেতা নেত্রীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here