ডেস্ক: কেবল পরীক্ষা আটকানোর জন্য সে খুন করেছিল নিজের সহপাঠীকে। গুরুগ্রামের রায়ান স্কুলে নৃশংসতার এই ছবি এখনও টাকটা সকলের মনে। কিন্তু স্কুলে পড়ার বয়সের নিস্পাপ শৈশবের মধ্যেও যে চরম কুবুদ্ধি ঢুকে পড়েছে সেই প্রমাণ এবার মিলল উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার বনকাঁটা থানা এলাকার সরকারি জুনিয়র হাই স্কুলে। সেখানে ঘটে গিয়েছে এক গায়ে কাঁটা দেওয়া ঘটনা। খুদেদের জন্য তৈরি মিড ডে মিলের রান্নায় বিষ মিশিয়ে দেওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটিয়েছে এক ছাত্রী।

যদিও সেই চক্রান্তের ঘটনা রাঁধুনির চোখে ধরা পড়ে যাওয়ায় প্রাণে বেঁচে যায় খুদেরা। রাধুনি জানিয়েছেন, সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে চুপিচুপি রান্নাঘরে ঢুকতে দেখেছিলেন তিনি। তখনই সন্দেহ হওয়ায় সেই ছাত্রীর পিছু নেন তিনি। রান্নাঘরে গিয়ে দেখেন তৈরি হওয়া খাবারের উপর সাদা আস্তরণ। তখনই সন্দেহ আরও ঘনীভূত হওয়ায় ছাত্রীটিকে চেপে ধরতেই সত্যি কথা বলে দেয় সে। ছাত্রীটির বয়ান শুনে রীতিমতো চমকে ওঠেন সকলে।

জানা যায়, গত ২ এপ্রিল স্কুলের মধ্যেই খুন হয়ে যায় ওই ছাত্রীটির ভাই। ওই শিশুকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ওই স্কুলেরই পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রকে। কিন্তু তদন্ত আইনি পথে চললেও প্রতিশোধের আগুন বুকে ধিকধিক করে জ্বলছিল মৃত ছাত্রটির দিদির বুকে। সেই প্রতিশোধ নিতেই খাবারে বিষ মিশিয়ে সবাইকে খুন করার পরিকল্পনা করে ছাত্রীটি। এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়তেই চরম চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এলাকায়। বিষ মেশানোয় অভিযুক্ত ছাত্রীটিকে জুভেনাইল হোমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। গ্রেফতার করা হয় ছাত্রীর মা’কেও। স্কুলের প্রিন্সিপাল কয়েকশো পড়ুয়ার প্রাণ বাঁচানোর জন্য রাধুনিকেই ধন্যবাদ জানান।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here