kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক, নদিয়া: সরস্বতী পুজোর দিন নিজের পাড়ার অনুষ্ঠানে খুন হয়েছিলেন কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস৷ তাঁর স্ত্রীকে রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন শিক্ষমন্ত্রী তথা নদিয়া জেলার পর্যবেক্ষক পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণার দিন রানাঘাট কেন্দ্র থেকে নিহত বিধায়কের স্ত্রী রূপালী বিশ্বাসকে ভোটে লড়ার টিকিট দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানোর বয়স হওয়ার আগেই তাকে নির্বাচনে লড়ার টিকিট দেওয়া হয়৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তার ২৫ বছর সম্পূর্ণ হবে৷ স্বামী সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করলেও এত ছোট বয়সে ভোটে লড়ার সুযোগ পাবেন, গোটা বিষয়টি অপ্রত্যাশিত ছিল রূপালীর কাছে৷ তবে স্বামীর অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করতেই তিনি তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায় রাজি হয়ে যান৷ তবে এবার সেই রূপালী বিশ্বাসকে প্রার্থী করা নিয়েই মুখ খুললেন মেদিনীপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ৷ মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দেগে বললেন কামানোর রাজনীতি চলবেনা৷

সম্প্রতি রূপালী বিশ্বাসের সমর্থনে নদিয়ায় প্রচারে এসে মুখ্যমন্ত্রীর বলেন, সত্যজিৎ আমার বিধায়ক ছিল। তাকে খুব নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, রূপালী একটা ছোট্ট মেয়ে, ওর একটা দেড় বছরের বাচ্চা আছে। ওর পরিবারটা খুব অসহায়। তাই আগের সাংসদের সঙ্গে কথা বলে অসহায় মেয়েটির পাশে দাঁড়াতে তাকে টিকিট দিয়েছি।

রবিবার নির্বাচনী জনসভায় রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী রুপালি বিশ্বাসের হয়ে ভোট প্রচারে এসে প্রয়াত বিধায়কের স্ত্রীকে সর্ব কনিষ্ঠ প্রার্থী বলে তাঁকে ভোটে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন দিলীপ ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীর উক্তিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে কটাক্ষ করেন৷ তিনি বলেন, ‘একজন বিধায়ক খুন হয়ে গিয়েছে, তার স্ত্রীর চোখের জল মোছার আগেই বাচ্চা মেয়েটিকে টিকিট দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, আবার বলছেন অসহায়। সংসার চালানোর জন্য চাকরি দেওয়ার দরকার ছিল৷ এই কামানোর রাজনীতি চলবেনা৷’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here