kolkata bengali news

মহানগর ডেস্ক: কৃষক আন্দোলনে সব থেকে বেশি অংশগ্রহণ করেছেন পঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের কৃষক। এই পরিস্থিতিতে উল্টো সুরে কথা বললেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টা। তিনি বলেন, রাজ্যের কৃষকরা খুশিতে আছেন, শান্তিতে আছেন। কিন্তু কিছু কৃষক নেতা নিজেদের অবসাদ তাঁদের ওপর চাপাতে চাইছেন বলেও খাট্টা অভিযোগ করেন।

মনোহর লাল খাট্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতিমধ্যে বলে দিয়েছেন, তিনটি কৃষি আইন কৃষকদের স্বার্থরক্ষার জন্যই করা হয়েছে। তারপরেও কিছু কৃষক নেতা তাঁদের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, তার মানেই তাঁদের অন্য কোনও অভিসন্ধি আছে। এরপরেই তিনি কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইত ও গুরনাম সিং চাঁদুনির প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, চাদুনি বা টিকাইত কৃষকদের স্বার্থের জন্য কোনও কথা বলেন না। তাঁরা নিজেদের স্বার্থে কৃষকদের ব্যবহার করছে। এরপরেই তিনি দাবি করেন, হরিয়ানায় বিজেপি পরিচালিত সরকার কৃষকদের একাধিক সুবিধা দিয়েছে। যাতে কৃষিকাজ আগের থেকে মসৃণ হয়, তার জন্য একাধিক প্রকল্প হরিয়ানায় আনা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মনোহর লাল খাট্টার মন্তব্য করেছেন, হরিয়ানার বেশিরভাগ কৃষক খুশি নতুন কৃষি আইনে। কয়েক জনকে বিপথে চালনা করা হচ্ছে। আমি তাঁদের কাছে আবেদন করছি বসে আলোচনা করা উচিৎ। যদি কেন্দ্রীয় নয়া কৃষি আইে সরকারের মনে হয় কিছু আইন পরিবর্তন করা দরকার। নিশ্চয় সরকার করবে। তার জন্য এত বিক্ষোভের প্রয়োজন নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন।

প্রায় দুই মাসের বেশি সময় ধরে, কৃষকরা দিল্লির সীমান্তে বিক্ষোভ করছেন। কৃষকদদের এই বিক্ষোভ দমিয়ে দেওয়ার জন্য একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জল, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য আন্দোলন আরও প্রতিকূল করার চেষ্টা করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নরম মনোভাব পোশন করেন। আলোচনায় বসার ইঙ্গিক দেন বলে জানা গিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here