Home Featured কমিশনের রিপোর্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত, আদালতে সওয়াল সিংভির

কমিশনের রিপোর্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত, আদালতে সওয়াল সিংভির

0
কমিশনের রিপোর্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত, আদালতে সওয়াল সিংভির
Parul

নিজস্ব প্রতিনিধিজাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট উদ্দেশ্য প্রণোদিত। রিপোর্টে অনেক অসঙ্গতি রয়েছে। আজ, বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে এভাবই সওয়ালই করলেন বিশিষ্ট আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। গুজরাট দাঙ্গার প্রসঙ্গ তুলে নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে তদন্তের দাবি জানান মামলাকারীর আইনজীবী। সওয়াল শুনে রাজ্য সহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল আদালত। ২৮শে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে বলেও জানিয়ে দিল আদালত।

ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্যের শাসক দল বিজেপিকে সমালোচনার তিরে বিদ্ধ করে বিজেপি। তার পরেই রাজ্যে আসে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি দল। পরে হাইকোর্টে রিপোর্ট দেন ওই দলের সদস্যরা। সেই রিপোর্টে মান্যতা দেওয়া হয়েছে পদ্ম-শিবিরের দাবিকেই। হিংসার অভিযোগ পেয়েও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। মানবাধিকার কমিশনের এই রিপোর্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি তৃণমূলের। রাজ্যের প্রতিটি থানার কাছে এ ব্যাপারে রিপোর্টও চেয়ে পাঠিয়েছে নবান্ন।

এদিন হাইকোর্টে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, কমিশন যে রিপোর্ট পাঠিয়েছে তার মধ্যে একটি অ্যানেক্সচার (আই) আমরা পাইনি। ৩৫০০ পাতার রিপোর্ট পড়ে উত্তর দিতে সময় লাগবে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আইনজীবী সুবীর সান্যাল বলেন, আমরা অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি। যাঁদের নানা অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে যাঁরা শ্লীলতাহানি বা ধর্ষণের মতো অভিযোগ আনছেন, তাঁরা কি বিচার পাবেন! রাজ্য ঠিক মতো দায়িত্ব পালন করছে না। কমিশনের আইনজীবীর সওয়ালের পরে বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মজুমদার জানতে চান, অভিযোগকারীরা কি তাঁদের বয়ান পুলিশকে দেননি? পুলিশকে যদি না বলা হয়, তাহলে তদন্ত হবে কী করে? মামলাকারীর আইনজীবী মহেশ জেঠমালানি বলেন, রাজ্যের পরিস্থিতি গুজরাট দাঙ্গার মতো। অবিলম্বে কোনও নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানো হোক। সব পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here