মহানগর ওয়েবডেস্ক: রাজস্থানে কি কংগ্রেস নিজের সরকার বাঁচাতে পারবে? নাকি মধ্যপ্রদেশের মতো দশা হবে সেখানেও? জাতীয় রাজনীতিতে এই প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে। আবার পরতে পরতে নাটক দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। শচীন পাইলট ঘনিষ্ঠ ও অনুগামী হিসেবে পরিচিত যেই তিন বিধায়ককে নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়েছিল, তারা আচমকাই ইউ-টার্ন মেরেছেন। তিনজন এখন বলছেন, মুখ্যমন্ত্রী গেহলটের সঙ্গেই রয়েছেন তারা। শচীন পাইলট সরকারকে সংকটে ফেলছেন এহেন অভিযোগকেও নস্যাৎ করে দিয়েছেন সাময়ি বিদ্রোহী এই তিন বিধায়ক।

অন্যদিকে রবিবার সারাদিন শচীন পাইলট দিল্লিতেই ছিলেন। তিনি কী করবেন এই টানটান উত্তেজনা চলার পর অবশেষে কংগ্রেস হাই কমান্ডের নির্দেশ এসেছে। তাঁকে বলা হয়েছে, আজ রাতের মধ্যেই জয়পুর ফিরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের অধীনে কাজ শুরু করতে।

ঘর গোছানোর উদ্দেশ্যে এদিন রাতেই সমস্ত কংগ্রেস বিধায়কদের বৈঠকে ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। তার আগেই এদিন বিকেলে আচমকা উল্টো সুর গাইতে দেখা যায় পাইলট অনুগামী বিধায়কদের। সাংবাদিক বৈঠক করে তারা বলেন, ‘কংগ্রেস এক হয়েই দাঁড়িয়ে আছে। শিবিরে কোনও মতানৈক্য নেই।’ যেই বিধায়করা পাইলটের পিছু পিছু দিল্লি গিয়েছিলেন তারাও সকলে এদিন দুপুরেই ফিরে এসেছেন বলে জানা যায়।

এই ঘটনার পরই কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব তাদের ‘অসন্তুষ্ট’ উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলটকে নির্দেশ দেয় এদিন রাতেই জয়পুর ফিরে যেতে। ফিরে গিয়ে যেন গেহলটে নেতৃত্বে তিনি কাজ করেন এবং আজ রাতের বৈঠকেও যোগ দেন সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখার জন্য রণদীপ সুরযেওয়ালা সহ তিন জনের একটি পর্যবেক্ষক দলও নিয়োগ করেছ কংগ্রেস। তবে যে রাজনৈতিক নাটক একবার শুরু হয়েছে তার যবনিকা এত তাড়াতাড়ি পতন হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here