ডেস্ক: একজন বলছেন, গরীবরা এবার আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে যাবেন। আরেকজন বলছেন, দেশের কৃষক সমাজের জন্য ‘আচ্ছে দিন’ এনে দেবেন। ভোট এসেছে যে! তাই বইছে প্রতিশ্রুতির বন্যা। তা সে রাহুল গান্ধী হন বা নরেন্দ্র মোদী। ভাল কথা বলে জনগণের মন জয় করার কোনও চেষ্টা বাদ দিচ্ছেন না কেউই। আদতে সে প্রতিশ্রুতি কতটা পূরণ হবে তা সময়ই বলবে। কিন্তু হাতে কাঁচা টাকা পাওয়ার লোভ সামলানো কি সহজ কথা? আর গত লোকসভা নির্বাচনের সময় মোদীর ১৫ লক্ষ টাকার মতোই এদিন বছরে ৭২ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেন রাহুল গান্ধী। যদি কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে।

খুব স্বাভাবিকভাবেই, রাহুলের এই প্রতিশ্রুতিকে ‘ফাঁকা ঘোষণা’ আখ্যা দিতে দেরি করেনি বিজেপি। আর সেটা দিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। কংগ্রেস সভাপতির এই ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতিকে ‘ফাঁকা ঘোষণা’ ছাড়া আর কিছুই মনে করছেন না তিনি। বরং গরীবী হটানোর ক্ষেত্রে যে দলের অতীতের সমস্ত রেকর্ড বিপক্ষে কথা বলে, সেই দলের সভাপতিকে এ হেন প্রতিশ্রুতি দেওয়া মানায় না বলে দাবি জেটলির। এমনকি তাঁর কথায়, ‘মিথ্যা প্রতিশ্রুতি’ দেওয়ায় কংগ্রেসের জুড়িও নাকি মেলা ভার। জেটলি বলেন, ২০০৮ সালে ওরা (কংগ্রেস) ৭২ হাজার টাকা কৃষি ঋণ মঞ্জুর করবে বলেছিল। কিন্তু করল মাত্র ৫২ হাজার টাকা। শেষে ক্যাগ রিপোর্টে দেখা গেল, দিল্লির একজন ব্যবসায়ী বেশিরভাগ টাকা নিয়ে বসে রয়েছে।

রাহুলের ন্যুনতম রোজগার প্রকল্প ‘ন্যায়’-এর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির তুলনা করেন জেটলি। পাল্লায় মেপে জেটলি দেখাতে চান, রাহুলের প্রতিশ্রুতির থেকেও মোদীর বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ঢের বেশি পাচ্ছেন দেশবাসী। তবে জেটলির এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে প্রত্যাশিতভাবেই উঠে আসে নরেন্দ্র মোদীর ১৫ লক্ষের প্রতিশ্রুতির বিষয়টি। জেটলি অবশ্য আশা করেই ছিলেন। তাই সন্তর্পণে এড়িয়ে যান সেই প্রশ্ন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here