kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক,বারুইপুর: আয়কর দফতরের অফিসারের ব্যক্তিগত সহকারীর পরিচয় দিয়ে এক চক্ষু চিকিৎসকের কাছ থেকে ৭০ লক্ষ টাকা দাবি জানায় দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার কংগ্রেসের যুব সভাপতি। টাকা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় ওই চিকিৎসককে। জয়নগর থানায় কংগ্রেসের যুব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরেই পুলিশ অভিযুক্ত যুব সভাপতি আমির হোসেন সর্দার এবং তার এক সঙ্গী গৌরাঙ্গ হালদারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত আমির হোসেনের বাড়ি জয়নগরের গোয়াল বেরিয়া গ্রামে এবং তার সঙ্গী গৌরাঙ্গ হালদারের বারুইপুরের সুবুদ্ধিপুর এলাকারত বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। তাদের দুপুরেই বারুইপুর আদালতে তোলা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে জেলা কংগ্রেসের যুব সভাপতির পদ থেকে আমিরকে বহিষ্কৃত করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর , জয়নগরের দক্ষিণ বারাসাতের বাসিন্দা চক্ষু চিকিৎসক দেবব্রত দাসকে ফোন করে ওই অভিযুক্ত। ফোনে জানায় লোকসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর প্রচারে ব্যানার তৈরির জন্য বড় অঙ্কের টাকা দিতে হবে। এরপর আবার ১৫ এপ্রিল চিকিৎসককে ফোন করে আমির। নিজেকে আয়কর দফতরের অফিসারের ব্যক্তিগত সহায়ক বলে পরিচয় দেয়। অভিযুক্ত আমির বলেন, তার আইটি ফাইলে অনেক সমস্যা রয়েছে। সেই সমস্যার জন্য তাকে ৭০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে চিকিৎসককে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। এদিকে ২৬ এপ্রিল চিকিৎসক দেবব্রত দাসের মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছে। তার আগে এই ঘটনায় তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

এরপর গোটা ঘটনা তিনি পুলিশকে জানান। সেই মতোই তদন্ত শুরু করে জয়নগর থানার পুলিশ। হাতে নাতে ধরে ফেলে ওই দুই অভিযুক্ত। পুলিসের চাপে সত্য ঘটনা বেরিয়ে আসে। এই বিষয়ে কংগ্রেসের জেলার যুব সভাপতি তারিক আনোয়ার শেখ জানান, ৬ মাস আগে আমির আমাদের দলে এসেছে। এই ঘটনা শুনে অবাক হয়ে গেছি। দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here