ডেস্ক: সংখ্যা বলছে হাসতে হাসতে বিরোধীদের আনা অনাস্থায় বাজিমাৎ করবে শাসক দল। কিন্তু বিরোধীদের লক্ষ্য আলাদা লোকসভা নির্বাচন পূর্বে এই অনাস্থায় গুরুত্ব অনেকখানি। একদিকে যখন বিজেপি নিজেদের ঘরের প্রতিটি কর্ণার যাচাই করে নেবে, অন্যদিকে বিরোধীরাও বুঝে নেবে নিজেদের শক্তি। তবে এই অনাস্থা প্রস্তাবে বিরোধীদের মূল লক্ষ্য সাংসদে বিজেপির সরকারের মুণ্ডপাত করা।

এদিনের আস্থা ভোটের আগে সরকারের মুণ্ডপাত করার জন্য সময় নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে। যেখানে, বিজেপি বক্তব্য পেশের জন্য পাবে ৩ ঘণ্টা৩৩ মিনিট, কংগ্রেস ৩৮ মিনিট, টিএমসি ২৯ মিনিট, এআইডিএমকে পাবে ২৭ মিনিট, বিজেডি ১৫ মিনিট, শিবসেনা ১৪মিনিট ও টিডিপি ১৩ মিনিট, সিপিএম ৭ মিনিট। ঠিক এই সময়টাকেই হাতিয়ার করে তুলে ধরা হবে, নোট বন্দি, জিএসটি থেকে শুরু করে লাভ জিহাদ, গো‌রক্ষার নামে গণপিটুনি এবং ললিত মোদি থেকে নীরব মোদি পর্যন্ত নানা কেলেঙ্কারির কথা। তবে আস্থা ভোটের আগে দীর্ঘ বৈঠক করেন অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদীর মতো একাধিক নেতারা।

এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক আজকের দিনের প্রস্তুতি…
আস্থা ভোট নিয়ে বিতর্ক শুরুর আগে সংসদে মোদীর নেতৃত্বে বৈঠক করেন অমিত শাহ।
সময় নিয়ে আপত্তি তোলেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি বলেন, বিরোধী দলগুলিকে মাত্র ২০ থেকে বলতে দিলে তাতে সমস্যাকে তুলে ধরা সম্ভব নয়।

আস্থা ভোটে ভোট দেবেন না কীর্তি আজাদ, তিনি আস্থা ভোটে অনুপস্থিত থাকছেন, কীর্তির স্ত্রীর শারীরিক অবস্থা ভাল%