kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম: ঝাড়গ্রাম পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগারের দায়িত্বে থাকা জুনিয়র কনস্টেবল বিনোদ কুমারের মানসিক চিকিৎসা শুরু হল ঝাড়গ্রামে। মানসিক বিকারের কারণেই বৃহস্পতিবার ছাদে উঠে মুড়ি-মুড়কির মতো গুলি চালান বলে চিকিৎসক ও পুলিশ মনে করছেন।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝাড়গ্রাম জেলার ঝাড়গ্রাম পুলিশ লাইনে অস্ত্রাগার বিভাগের দায়িত্বে থাকা জুনিয়র কনস্টেবল বিনোদ কুমার এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করেছিলেন অনির্দিষ্ট লক্ষ্যে। কোনও কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে এই গুলি বৃষ্টিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন ব্যারাকে থাকা বাকি পুলিশকর্মীরা। দুপুর দুটো থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পুলিশ ব্যারাকটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পুলিশ আধিকারিকদের হিমসিম খাইয়ে ছাড়েন বিনোদ কুমার। সন্ধ্যা পর্যন্ত বহু রাউন্ড গুলি ছুড়েছিলেন ইতিউতি। পুলিশ-প্রশাসনের বহু কৌশল ব্যর্থ হয়েছিল তাকে নিরস্ত্র করে অস্ত্রাগার ভবন থেকে নীচে নামাতে। অবশেষে ওই যুবকের স্ত্রী, দাদা, বাবা-মাকে পুরুলিয়ার বাড়ি থেকে নিয়ে এসে রাত ৯টার পর তাদের দিয়ে অনুরোধ করে ওই যুবককে নীচে নামাতে সক্ষম হন পুলিশ আধিকারিকরা। তাকে নিরস্ত্র করে রাতেই পুলিশ তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করে।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার অমিতকুমার ভরত রাঠোর জানিয়েছেন, মানসিক সমস্যা থেকে এই কাণ্ড করেছিলেন ওই যুবক। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই তাকে মানসিক চিকিৎসকের হেফাজতে দিয়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার দিনভর তার চিকিৎসা করা হয়েছে ঝাড়গ্রাম হাসপাতালে মানসিক চিকিৎসা বিভাগে। তবে এবিষয়ে নতুন করে আর কোনও মন্তব্য করতে চাননি পুলিশকর্তারা। তবে এই কাণ্ডের পেছনে আর কী কী কারণ থাকতে পারে সেগুলি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here