kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি : বাড়িতে অসুস্থ ছেলে বউমা সহ মোট তিনজন। আইসোলেশনে ছিলেন বাড়ির বৃদ্ধ কর্তাও। আজ, বুধবার দুপুরে কাপড় পেঁচিয়ে দড়ি করে তিনতলা থেকে নীচে নামার চেষ্টা করেন বৃদ্ধ। পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ৭৭ নম্বর হাজরা রোডের ঘটনায় চাঞ্চল্য। পালাতে গিয়ে পড়ে গিয়ে নিছকই দুর্ঘটনায় মৃত্যু নাকি আত্মহত্যা করেছেন ওই বৃদ্ধ, তা জানতে তদন্ত  শুরু করেছে পুলিশ।

৭৭ নম্বর হাজরা রোড। এখানকারই একটি বাড়িতে ছেলে বউমাকে নিয়ে থাকতেন বছর সাতাশির ওই বৃদ্ধ। দিন কয়েক ধরে পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন। পরীক্ষায় জানা যায়, পরিবারের তিনজনের করোনা পজিটিভ। পরিবারের বৃদ্ধ কর্তাকে রাখা হয় আইসোলেশেন।

স্থানীয় সূত্রে খবর, দিন কয়েক ধরে ওই পরিবারের কেউই ঘর থেকে বের হননি। এদিন দুপুরে ওই বৃদ্ধ বেশ কয়েকটি শাড়ি পাকিয়ে দড়ি বানান।পরে দড়ির একটি দিক কার্নিসে বেঁধে ঝুলে পড়েন। বৃদ্ধকে ওই অবস্থায় ঝুলতে দেখে তাঁকে নামানোর চেষ্টা করে প্রতিবেশীরা। তার পর আচমকাই নীচে রাখা একটি গাড়ির ছাদে পড়ে যান ওই বৃদ্ধ। পরে গড়িয়ে পড়েন মাটিতে। শিশুমঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

বৃদ্ধের মৃত্যুতে দানা বেঁধেছে রহস্য। উঠছে একাধিক প্রশ্ন। প্রথমত, পরিবারের সবার করোনা হওয়ায় তিনি কি পালিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন? দ্বিতীয়ত, যদি পালাতেই চান, তবে সিঁড়ি ব্যবহার করলেন না কেন? তর্কের খাতিরে যদি ধরেই নেওয়া হয় ওই বৃদ্ধ অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন, তাহলেও প্রশ্ন লাফ না দিয়ে তিনি শাড়ির দড়ি ধরে ঝুলছিলেন কেন? আপাতত এসব প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে পুলিশ।      

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here