corona vaccine

মহানগর ডেস্ক:   দেশে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে টিকার আকাল। ১ মে থেকে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে করোনার টিকা নেওয়ার সীমা করে দেওয়া হয়েছিল। টিকার অভাবে এই কর্মসূচি অনেক রাজ্যেই বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের উল্টো সুরে কথা বললেন কেন্দ্রের কোভিড প্যানেলের এনকে আরোরার।

তিনি জানিয়েছেন, যখন দেশের টিকার মজুদ কম, সেক্ষেত্রে ১৮ থেকে ৪৪ বছরের ঊর্ধ্বে করোনার টিকা করণের কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়া উচিৎ ছিল। প্রথমে ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে নাগরিক ও কো মর্বিটিদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ ছিল। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গত বছর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ঠিক হয়ে গিয়েছিল কাদের করোনা টিকার দেওয়ার বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। আমাদের প্রথম থেকেই নজর ছিল দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমানো।

দেশে করোনার টিকার ঘাটতির কথা মেনে নিয়েছেন তিনি। তবে তাঁর মতে  সহজেই উৎপাদন করে এই ঘাটতি মিটিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এই ঘাটতি মিটিয়ে নিতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে। প্রসঙ্গত, দেশে জানুয়ারি থেকে করোনার টিকা করণ শুরু হয়। মে ও জুন মাসের মধ্যে সারা দেশে করোনার টিকা করণ ৩০ কোটি করার লক্ষ ছিল। কিন্তু বাধ সেধেছে, করোনায় মজুদ। করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের মানুষের করোনা টিকা নেওয়ার আগ্রহও বেড়েছে। কিন্তু টিকার অভাবে দেশের সাধারণ মানুষকে হতাশ হতে হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here