Parul

মহানগর ডেস্ক: শনিবার ভেনিসে G ২০ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে আলোচনার বিষয় ছিল করোনা। সারাবিশ্বব্যাপী এই করোনার নতুন রূপ ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্ট আবার পুনরায় আঘাত হেনেছে। যা বিশেষ চিন্তার। এমনকি টিকা প্রক্রিয়াকরণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই বাড়াতে হবে, না হলে দৈনিক জীবন ও বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

ads

করোনার নয়া রূপ ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্ট প্রথম ভারতে সনাক্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন দেশে চলছে টিকা করন প্রক্রিয়া। কিন্তু তার মধ্যেই নতুন করে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার কারণে দৈনিক জীবন এবং অর্থনীতির ওপর বিরাট প্রভাব দেখা দিচ্ছে। একটি বিবৃতিতে G২০ এর অর্থমন্ত্রীরা জানিয়েছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিল। সেগুলির মধ্যে কিছু বিভেদ চিহ্নিত করা গিয়েছে। এছাড়াও করোনার নতুন যে স্ট্রেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং সে ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকি বাড়িয়ে চলেছে।

শনিবার জানানো হয়েছে যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন গুলি বোট ভ্যাকসিনের কর্মসূচি নিয়েছে। যেখানে ব্লকের ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়াও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন কমিশনের সভাপতি জানিয়েছেন যে, আগামীকাল প্রায় ৫০০ মিলিয়ন করোনা ভ্যাকসিন ইউরোপের সব অঞ্চলের বিতরণ করা হবে। ইউরোপিয়ান সরকারের রিপোর্ট অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরোপীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৮ বছর বা তার বেশি প্রাপ্ত বয়স্ক যাদের ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিয়ে নেওয়া হয়েছে তারা ৪৪.১ শতাংশ।

অন্যদিকে, লন্ডন পুলিশ শনিবার ফুটবলপ্রেমীদের সতর্ক করে দিয়েছে। লন্ডন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রবিবার ২০২০ ইউরও ফাইনালে ওয়েম্বলেতে বিপুল সংখ্যক জনসমাগম করা যাবে না। এ ছাড়াও আগামী ১৯ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশ ব্যাপী করোনার বিধি-নিষেধ জারি থাকবে। এছাড়াও জানা যাচ্ছে যে, দক্ষিণ কোরিয়ায় ভ্যাকসিন সরবরাহের সমস্যার জন্য দেশের প্রায় ৫২ মিলিয়ন জনসংখ্যার মধ্যে মাত্র ১১ শতাংশ সম্পূর্ণ টিকা গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে ১,৩৭৮ টি সংক্রমনের খবর এসেছে।

সোমবার থেকে সেই দেশে সর্বোচ্চ দুজনের বেশি এক জায়গায় জমায়েত হতে পারবেন না এমনই বিধি-নিষেধ জারি করা হচ্ছে। এছাড়াও সন্ধ্যে ৬ টার পর সমস্ত কিছু বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এখনো পর্যন্ত যারা ভ্যাকসিন নিয়েছে তাদের মধ্যে দেখা হচ্ছে যে, এই ভ্যাকসিন নেওয়ার ফলে ক্ষতিকারক প্রভাব গুলি কতটা প্রশমিত করতে সফল হওয়া যাচ্ছে। এবং আগামী দিনে মারাত্মক করোনার স্ট্রেন গুলিকে কিভাবে মোকাবিলা করা যেতে পারে সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here