নিজস্ব প্রতিবেদক, জলপাইগুড়ি: শনিবার রাতে আরেক নির্ভয়া কান্ডের দেখা মিলল জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে। ধূপগুড়ির আদিবাসী মহিলাকে গনধর্ষণ করে যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল। রবিবার এই ঘটনায় পুলিশ মূল অভিযুক্ত সহ দু’জনকে আটক করে। শেষে সোমবার অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হলে দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠায় আদালত।

দিল্লী নির্ভয়া কান্ডের পর সাম্প্রতিক কালে নজিরবীহিন ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তর বঙ্গের ধূপগুড়ি। গত শনিবার রাতে স্বামী না থাকার সুযোগে বাড়ি থেকে আদিবাসী মহিলাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গনধর্ষণ করে যৌনাঙ্গে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল লোহার রড । অভিযুক্ত নির্জাতিতার ভাস্তা রথনু মুন্ডা এবং তার দুই শাগরেদ। যাদের মধ্যে রবিবার গ্রেফতার করা হয়েছে মূল অভিযুক্ত রথনু মুন্ডা এবং পরিমল রায়কে। অন্যদিকে এখনও আরেক অভিযুক্ত সন্তোষ রায় পলাতক বলে জানা যায়। ঘটনায় সোমবার ওইদুই অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে জেরায় মূল অভিযুক্ত রথনু মুন্ডা জানায়, নির্যাতিতার ওপর ব্যক্তিগত রাগের কারনে তাকে শিক্ষা দিতে এই জঘন্য কাজ করেছে তারা। এরপরই পুলিশ তাদালতের কাছে ধৃতদের দুদিনের পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত বিচারক হিমলিন ভট্টাচার্য দুই দিনের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করে।

অন্যদিকে ঘটনার পরদিন রবিবার সকালে নির্জাতিতাকে ধূপগুড়ি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। সেই সময় নির্যাতিতাকে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এরপর রবিবার রাতে নির্যাতিতা মহিলার অস্ত্রপাচার করা হয়, বর্তমানে তাকে সদর হাসপাতালের আইসিসিউইতে রাখা হয়েছে। এই মুহূর্তে ওই মহিলার শারিরীক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here