kolkata bengali news

নিজস্ব প্রতিবেদক, মেদিনীপুর: তৃণমূল সরকারের উত্থানের পর থেকেই পূর্ব মেদীনিপুর জেলা শাসকদলের শক্ত ঘাঁটি৷ ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনেও কাঁথি ও তমলুক এই দুই লোকসভা কেন্দ্রে এবারেও অধিকারী পরিবারের ওপরেই আস্থা রেখেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কাঁথি থেকে প্রার্থী করা হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা ওই কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ শিশির অধিকারীকে৷ অন্যদিকে তমলুক বিধানসভা কেন্দ্রে এবারের প্রার্থী ওই কেন্দ্রেরই বিদায়ী সাংসদ দিব‍্যেন্দু অধিকারী ৷ তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৬ সালে দাদা শুভেন্দু অধিকারী সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন দিব‍্যেন্দু অধিকারী। এর আগে তার প্রথম রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় কলেজের ছাত্র রাজনীতি থেকে। অন্যদিকে ২০০৯ ও ২০১৪ দুবারই লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সাংসদ হন শিশির অধিকারী৷ রাজনীতির আঙিনায় নিজেদের শক্ত জমি তৈরি করতে পারায় অধিকারী পরিবারের যথেষ্ট দাপট রয়েছে জেলা জুড়ে৷ যে কারণে ভোটের আগে অধিকারী পরিবার দাদাগিরি দেখাতে শুরু করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা৷ যা মেনে নিতে পারছেনা এলাকার মানুষ এমনটাই অভযোগ সিপিএম-এর৷ বুধবার প্রচারে বেরিয়ে অধিকারী পরিবারের দাদাগিরির অভিযোগ তুললেন তমলুক লোকসভার সিপিআইএম প্রার্থী শেখ ইব্রাহিম আলি।

এবার লোকসভার ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসকে মানুষ তাদের জবাব দেবে বলে প্রচারে বেরিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম প্রার্থী শেখ ইব্রাহিম আলি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মহিষাদল বিধানসভায় প্রচারে বেরোন। মহিষাদল বিধানসভার বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা করে জনসংযোগ করেন তিনি। সেখানেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট লুঠের অভিযোগ তোলেন তিনি৷ ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে যদি ভোট লুঠ না হয় তাহলে ফল অন্য হবে বলেও জানান তিনি৷

 

গত লোকসভা নির্বাচনেও শুভেন্দু অধিকারীর বিপরীতে তাঁকে প্রার্থী করা হয় সিপিএম-এর তরফে। শুভেন্দুর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি৷ লোকসভা ভোটে হারলেও গত ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে কোলাঘাট বিধানসভা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি । তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব রায়চৌধুরীকে হারিয়েছিলেন সিপিআইএম-এর ইব্রাহিম আলি। ফলে এবারে লোকসভা নির্বাচনে নতুন চ্যালেঞ্জের সঙ্গে ভোটে দাঁড়িয়ে জেতার ব্যাপারে আশা রাখেন বলেই জানালেন এই সিপিএম প্রার্থী৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here