kolkata news

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জনসংযোগের জন্য এবার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উৎসবকে বেছে নিতে চলেছে সিপিএম। তবে তা শুধুমাত্র সৌজন্যতার খাতিরেই, একথা স্পষ্ট করে দেন সিপিএমের অন্যতম নেতা সুজন চক্রবর্তী। সিপিএম যে কোনও ভাবেই ধর্মের গোঁড়ামি সমর্থন করে না, একথাও এদিন আবার স্মরণ করিয়ে দেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘আমরা সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মোকাবিলার চেষ্টায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে জনসংযোগের মাধ্যম হিসেবে তুলে ধরছি। তাই আমরা আমাদের ধর্মনিরপেক্ষ লোকদের মন্দির কমিটির দিকে ঠেলে দেওয়ার কথা বলেছি।’

প্রসঙ্গত, বরাবরই ধর্মের সঙ্গে আফিমের তুলনা করে সিপিএম। একসময়ের দাপুটে মন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তী মন্দিরে কেন গিয়েছিলেন, সেবিষয়ে কৈফিয়ৎ দিতে হয়েছিল তাঁকেও। এরপর ক্ষমতা হারানোর পর কেটে গিয়েছে ৯ বছর। এবার জনসংযোগের জন্য বাধ্য হয়ে সেই ধর্মকেই সামনে রাখতে চলেছে সিপিএম।

কিছুদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে লাল রঙের প্রেক্ষাপটে দলের শুভেচ্ছা দেয় সিপিএম। সেখানে লেখা ছিল, ‘চৈতন্য মহাপ্রভুর ৫৩৪-তম শুভ আবির্ভাব তিথি ও হোলি দোলযাত্রা উপলক্ষে আগত তীর্থযাত্রীদের জানাই প্রীতি ও শুভেচ্ছা।’ এই শুভেচ্ছা জানিয়েছিল সিপিএমের নবদ্বীপ পূর্ব এরিয়া কমিটি। মার্ক্স, লেনিন নন, পতাকায় ছিল দুহাত তুলে নৃত্যরত নিমাইয়ের ছবি।

এর থেকেই স্পষ্ট হয় এবার আরএসএসের সঙ্গে সম্মুখ সমরে নেমেই প্রাসঙ্গিক হতে চাইছে সিপিএম। সিপিএম-এর বার্তা, তারা মানুষের সঙ্গে আছে বরাবরের মত। আরও বেশি করে থাকতেই এই প্রয়াস। যদিও সিপিএম-এর স্পষ্ট বার্তা, এটা কোনও ধর্মীয় অ্যাজেন্ডা নয়। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের উপায় তৈরি করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here