ডেস্ক: আইপিএল বেটিংয়ের তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই মুম্বই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে অভিনেতা আরবাজ খান সহ বেশ কয়েকজন বুকিকে। এবার আইপিএল তদন্তে উঠে আসলো বিস্ফোরক তথ্য। এই আইপিএল বেটিংয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগ ছিল আন্ডারওয়াল্ড ডন দাউদ ও তার সঙ্গীদের। দাউদের এজেন্টরাই বুকি ও সেলিব্রেটিদের যোগাযোগ করিয়ে দিল। এদের মাধ্যমেই ভারত সহ গোটা দেশজুড়ে চলছিল রমরমা বেটিং ব্যাবসা।

থানের অ্যান্টি এক্সরশন সেলের ইন্সপেক্টর প্রদীপ শর্মা সাংবাদিকদের এদিন জানান, ‘বিশাল ব্যাবসা ফেদেছে এই বেটিং।’ সম্প্রতি, ভারতে বেটিং চক্রের অন্যতম চাই সোনু জানালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ তাকে জেরা করেই পুলিশ জানতে পেরেছে, সোনু হল দাউদের বিশাল সাম্রাজ্যের ছোট্ট একটি অংশমাত্র। তদন্তে উঠে এসেছে এই বেটিং চক্রের সঙ্গে যুক্ত একাধিক নাম। আর পাকিস্তানে বসে এই গোটা বেটিং চক্রকে পরিচালনা করে দাউদ।

জানা গিয়েছে, বিশ্বের যে সমস্ত জায়গায় এই বেটিং চক্র চলে তার শীর্ষে রয়েছে দাউদের ঘনিষ্ঠ এথমাস ও ডক্টর নামের দুই ব্যক্তি। দাউদের এই বিশাল চক্রের মধ্যে জুনিয়র কলকাতা নামে একজন সে থাইল্যান্ড থেকে এই বেটিং সিন্ডিকেট দেখাশুনা করে। মিহির খান নামের এক বুকি দুবাইয়ের বেটিং সিন্ডিকেট সামলায়। আমেদাবাদে রয়েছে কমল মালা নামের একজন। এছাড়াও দেশে বিদেশে ছড়িয়ে রয়েছে একাধিক বুকি। এই সমস্ত শাখাপ্রশাখা তাঁদের বেটিং সরবরাহ করে অনিল কোঠারিয়া নামের এক বুকিকে। যে দুবাই থেকে পুরো ব্যাবস্থাটা সামলায়। কোঠারিয়াকে পরিচালনা করে দাউদ ঘনিষ্ঠ এথমাস ও ডক্টর যারা থাকে পাকিস্তানে। এখানে দাউদ তার বেটিং ব্যবসায় এই দুই ব্যাক্তিকে পরিচালনা করে।

বেটিংয়ের সমস্ত হিসেব নিকেশ ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে চলে এলেও এখনই কোনওরকম ব্যবস্থা নিয়ে প্রস্তুত নয় পুলিশ। কারন যার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সেতো আর যে সে ব্যক্তি নয় খোদ দাউদ। প্রমান শক্তপক্ত না হলে তাকে জালে ফেলা অতটা সহজ নয়। তাই সবরকম আটঘাট বেধেই মাথে নামতে চাইছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here