নিজস্ব প্রতিবেদক, বজবজ: মৃত পশুর দেহ ভাগাড় ফেলে যাওয়ার পর তা তুলে পরিস্কার করে কলকাতার বিভিন্ন রেস্তরাঁয় সরবরাহ করার মতো চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল বজবজ পুরসভার এক কর্মীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বজবজের সুভাষ উদ্যান সংলগ্ন একটি ভাগাড় থেকে মৃত পশুর মাংস দীর্ঘদিন ধরে সরবরাহ করা হত কলকাতার বিভিন্ন রেঁস্তোরায়৷ যা করতেন পুরসভার এক কর্মী৷ বিষয়টির দিকে লক্ষ্য রাখছিলেন স্থানীয়রা৷ কিন্তু প্রমাণ মিলছিল না৷ এদিন মাংস নিয়ে যাওয়ার হাতেনাতে ধরা পড়ে পুরসভার কর্মী রাজা মল্লিক এবং তার সঙ্গী ট্যাক্সিচালক মিলসেল শ্যামলাল।

এই দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মৃত পশুর দেহ ভাগাড়ে ফেলে দেওয়ার পর সেগুলো প্রথমে সুন্দর করে পরিষ্কার করা, এরপর ছোট ছোট পিস করে কলকাতা র বিভিন্ন হোটেলে সাপ্লাই দিত একটি চক্র৷ সেই চক্রের দুই সদস্য পুরসভার কর্মী রাজা মল্লিক ও শ্যামলালের পর্দা ফাঁস হয়ে যায়৷ হাতেনাতে ধরে ফেলে বজবজের ময়লা ডিপোর স্থানীয় লোকজন। যদিও চক্রের দুই মূল পাণ্ডা নিমাই এবং সানি পালাতে সক্ষম হয়৷ রাজাই ভাগাড়ে ফেলে যাওয়া মৃত পশুর খবর দিত নিমাই বা সানিকে, ওরা ভাগাড়ে এসে সেগুলিকে কেটে রেডি করত। শ্যামলালের মাধ্যমে আগে থেকে ঠিক করা হোটেলে পৌঁছে যেত মাংস।

এদিন ঘটনা সামনে আসার পর উত্তেজিত জনতা তাদের গাড়িতে ভাঙচুর করে, দু’জনকে মারধর করে বজবজ থানার হাতে তুলে দেয়। অভিযুক্তরা অপরাধের কথা স্বীকার করেছে বলেই খবর পুলিশ সূত্রে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here