নিজস্ব প্রতিবেদক, কাটোয়া: একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কারণেই নাকি খুন হতে হয়েছে রিংকু দাসকে। বৃহস্পতিবার সকালে কাটোয়া শহরে বাড়ি থেকে রিঙ্কু দাসের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হতে দেখে এই সন্দেহই দানা বেঁধেছে কাটোয়া শহর জুড়ে। ধন্ধে প্রতিবেশীরাও । যদিও এ ব্যাপারে এখনও পুলিশ কিছু জানায় নি। এমনকি এদিন বিকেল পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি কাটোয়া থানায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দু বছর আগে রিংকু দাসের স্বামী সন্তোষ দাসও খুন হয়েছিলেন।

সেই ঘটনার আজও কোনও কিনারা হয়নি। একটি আশ্রম থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়েছিল। রিংকুদেবীর দুই ছেলে রয়েছে। তারা কর্মসূত্রে বাইরে থাকত। গত রবিবার ছিল তার ছোট ছেলে সুজনের জন্মদিন। জন্মদিনের অনুষ্ঠান শেষে সে মামারবাড়ি পূর্বস্থলীতে চলে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিবেশীরা রিংকু দাসকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এরপরই তার ঘরের দরজার সামনে রিঙ্কু দাসের রক্তাক্ত দেহ চোখে পড়ে তাদের।

পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করেন। কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের অনুমান। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, স্বামী মারা যাওয়ার পর রিংকুদেবী বিড়ি বাঁধাই করে সংসার চালাতেন। তাঁর কাছে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মানুষ আসা যাওয়াও করতেন। সেই সূত্র ধরেই তাঁকে খুন করা হয়েছে কিনা তা নিয়ে নানান সন্দেহ দানা বেঁধেছে প্রতিবেশীদের মনে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে কাটোয়া থানার পুলিশ।
কাটোয়ায় উদ্ধার মহিলার রক্তাক্ত দেহ, খুন না আত্মহত্যা ধন্ধে প্রতিবেশীরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here