kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: পায়ের ফোঁড়ার চিকিৎসা করাতে গিয়ে দু’বছরের শিশুর মৃত্যু। ব্লক হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠল। থানায় অভিযোগ না নেওয়ায় অনলাইনে হল অভিযোগ দায়ের। ঘটনার তিনদিন পর জেলা স্বাস্থ্য দফতর থেকে দেওয়া হল তদন্তের নির্দেশ। পুরুলিয়া ঝালদা পুরসভা এলাকার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আতমা মাছুয়ার ও তার স্ত্রী সবিতা মাছুয়ার গত ২ বছরের শিশুর পায়ের ফোঁড়ার চিকিৎসার জন্য ঝালদা ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে ড্রেসিং করার পরেই শুরু হয় বিপত্তি। চিকিৎসক জানান, তার ছেলে মারা গেছে। এই খবর শুনে হতভম্ব হয়ে যায় মাছুয়ার পরিবার। সন্দেহ করা হয়, ড্রেসিং চলাকালীন ২বছরের শিশুর শিরা কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয়েছে।

সবিতা মাছুয়ার বলেন, ডাক্তারবাবু ধমক দিয়ে তাড়াতাড়ি দেহ নিয়ে যেতে বলেন। তা না হলে দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠালে আর সৎকারের জন্য পাওয়া যাবে না। কারণ এখন করোনা ভাইরাসের সময় চলছে। তার অভিযোগ, এমন হুমকি দেন ওই চিকিৎসক। ঘটনার পরেই ঝালদা থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে অভিযোগ না নেওয়ায়  পরে অনলাইনে অভিযোগ দায়ের হয়। ঘটনা দেখা দিয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অনিল কুমার দত্ত জানান, ঘটনাটি নিয়ে আমারা খোঁজ খবর নিয়েছি। দু’বছরের বাচ্চাটির শ্বাসকষ্ট, জ্বর ছিল। যাই হোক ব্যাপারটা দুঃখের। ড্রেসিং করতে বলা হয়েছিল। তারপরেই ঝালদা হাসপাতালেই মারা যায় বাচ্চাটি। অতিরিক্ত মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে। গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত করার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

যখন দেশ জুড়ে করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্য কর্মীদের পরিষেবা নিয়ে হচ্ছে প্রশংসা, ঠিক সেই সময় রাজ্যের প্রান্তিক শহর ঝালদায় চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্নের মুখে চিকিৎসকরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here