deep sidhu

মহামগর ডেস্ক: সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির হিংসার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত দীপ সিধু। তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দীপ সিধু। আদালতে তিনি জানিয়েছেন, পুলিশকে সাহায্য করতে তিনি উন্মত্ত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। তিনি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি আদালতে জানান, ভুল সময়ে ভুল জায়গায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি তাঁর উদ্দেশ্য ভুল ছিল না। তিনি উন্মত্ত জনতাকে বোঝাচ্ছিলেন, তাঁরা যেন পুলিশের ওপর হামস না করেন।

প্রসঙ্গত, ৯ ফেব্রুয়ারি হরিয়ানার কারনাল অঞ্চল থেকে অভিনেতা দীপ সিধুকে গ্রেফতার করা হয়। সাধারণতন্ত্র দিবসের হিংসার ঘটনায় যোগ থাকার সন্দেহে দীপ সিধুর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। আদালতে দীপ সিধুর আইনজীবী বেশ কয়েকটি সিসিটিভি ফুটেজ পেশ করে। আইনজীবী দাবি করেন, ফুটেজ থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, ঘটনার দিন মুরাথাল হোটেলের থেকে ১২টার সময় বেরিয়ে যান তিনি। দুপুর দুটো নাগাদ তিনি লালকেল্লাতে পৌঁছন। যে সময় দীপ সিধু লালকেল্লাতে পৌঁচেছিল, তখন ব্যারিকেড ভাঙা হয়ে গিয়েছিল। দীপ সিধু বলেন, পুলিশের কাছে আমার ফোন রয়েছে। সেই সময় আমার অবস্থান কোথায় ছিল, ট্র্যাক করে পুলিশ জানতে পারে। আমার গাড়ির নেভিদেশন ডেটাও পুলিশ সংরক্ষণ করতে পারে।

দীপ সিধুর পাশাপাশি সাধারণতন্ত্র দিবসে হিংসার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অভিযোগে ইকবালক সিংকে গ্রেফতার করে। দিল্লি পুলিশ ইকবাল সিংয়ের খবর দেওয়ার জন্য ৫০,০০০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। গ্রেফতারের আগে দীপ সিধুর বিষয়ে খবর দেওয়ার জন্য এক লক্ষ টাকা ঘোষণা করেছিল দিল্লি পুলিশ।
প্রসঙ্গত, দিল্লির বিভিন্ন সীমান্তে নভেম্বরের ২৬ তারিখ থেকে বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। এই কৃষক সংগঠনগুলো সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন ট্র্যাক্টর ব়্যালি করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথম থেকে শান্তিপূর্ণভাবে কৃষক আন্দোলন হলেও, পরের দিকে তা হিংসাত্মক আন্দোলনে পরিণত হয়। পুলিশের সঙ্গে ট্র্যাক্টর নিয়ে কৃষকদের খণ্ডযুদ্ধ বাধে। এরপরেই একদল লালকেল্লাতে প্রবেশ করে। তাঁরা সেখানে ভাঙচুর করেন। লালকেল্লাতে শিখ ধর্মালম্বীদের পতাকা উত্তোলন করে। এরপর থেকেই ক্রমে ব্যাকফুটে চলে আসে কৃষক আন্দোলন। কৃষকরা অভিযোগ করেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অভিনেতা দীপ সিধুর জন্য হিংসাত্মক আকার নিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here