ডেস্ক: দিল্লিতে ঘরের ভিতর একই পরিবারের ১১ জনের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নেমে এবার কালাজাদুর সন্দেহই তীব্র হচ্ছে পুলিশের মনে। কারণ ১১ টি মৃতদেহের কারও শরীরে নেই কোনও ধস্তাধস্তির চিহ্ন। যদি খুন হত সেক্ষেত্রে বাঁচার কিছুটা হলেও চেষ্টা থাকত। কিন্তু এসব না মেলায় আধ্যাত্মিককতাই মৃত্যুর কারণ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। আর সেই সন্দেহে বাড়তি অক্সিজেন জুগিয়েছে বেশ কয়েকটি চিরকুট। যেখানে লেখা, টুল ব্যবহার করতে হবে, চোখ বন্ধ করতে হবে আর হাত বাঁধতে হবে। তাহলেই মিলবে মোক্ষ।

তবে কোনওকিছুকেই সন্দেহ তালিকা থেকে বাদ রাখছেন না তদন্তকারীরা। গতকালই ১১ টি মৃতদেহের মধ্যে ৬ টির ময়নাতদন্ত করেছেন তদন্তকারীরা। বাকি ৫ টির ময়নাতদন্ত হবে আজ। তারপর হয়ত কিছুটা হলেও হতে পারে রহস্যের কিনারা। মৃতদের বাড়ি থেকে যে চিরকূট উদ্ধার করা হয়েছে তাতে অন্ধ ধর্মীয় বিশ্বাস ও কালা জাদুতে আসক্ত ছিল বলেই মনে করছেন স্থানীয়রা থেকে পুলিশ। তবে মৃতদের মধ্যে একজন নারায়ণ দেবীর মেজ মেয়ে সুজানা জানিয়েছেন, তাঁর পরিবারের মধ্যে ধর্মীয় বিশ্বাস ছিল ঠিকই কিন্তু কুসংস্কার আছন্ন ছিল না কেউই। এদিকে, মৃতদের মধ্যে বয়স্ক এক মহিলার গলাকাটা দেহ উদ্ধার হয় পাশের ঘর থেকে, ঠিক এখান থেকেই আবার খুনের তথ্য জোরালো হয়ে উঠছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে তদন্তকারীরা।

উল্লেখ্য, রবিবার সকালে উত্তর দিল্লির বুরারি এলাকার ঘরের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয় ১০ টি ঝুলন্ত মৃতদেহ। দেহগুলির হাত পা ও চোখ বাধা অবস্থায় ছিল। পাশের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় আর এক বৃদ্ধার গলাকাটা দেহ। ঘটনার তদন্তে নেমে গতকালই পুলিশ সন্দেহ করেছিল এটি একটি গণহত্যা। কিন্তু ঘরের ভিতর থেকে একের পর এক তথ্য উদ্ধার হওয়ার পর এখন কালা জাদুকেই সন্দেহ করছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here