bengali news on nirbhaya

মহানগর ওয়েবডেস্ক: ২০১২ সালের নৃশংস নির্ভয়া ধর্ষণে অন্যতম দোষী অক্ষয় কুমার সিং-কে ফাঁসির সাজা শোনানো হয়েছে। বক্সার জেল থেকে এসে গিয়েছে ফাঁসির দড়ি। মহড়াও সারা। এখন শুধু আইনি জটিলতা কাটিয়ে নির্দেশের অপেক্ষা। তিহার জেলে জোর কদমে চলছে নির্ভয়া কাণ্ডের চার দোষীকে ফাঁসিতে ঝোলানোর প্রস্তুতি। কিন্তু এখনও সাজা মুকুবের আশা ছাড়েনি অক্ষয় কুমার সিং। মঙ্গলবার ফের শীর্ষ আদালতে দায়ের করল রিভিউ পিটিশন। রিভিউ পিটিশনে তার বক্তব্য, দিল্লির জল ও বায়ু দূষণ এমনিতেই মানুষের আয়ু কয়েক গুণ কমিয়ে দিয়েছে। তাহলে কেন আর শুধু শুধু তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে।

অক্ষয় কুমার সিং-এর আইনজীবী এ পি সিং সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা রিভিউ পিটিশনে দাবি করেছেন ১৬ ডিসেম্বর, ২০১২-এ রাতে দিল্লিতে ছিলই না তাঁর মক্কেল অক্ষয়। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে এ পি সিং বলেন, ঘটনার দিন তাঁর মক্কেল বিহারের ঔরঙ্গাবাদে তার নিজের বাড়িতে ছিল। তার কাছে সে রাতের বাস টিকিট এবং অন্যান্য প্রমাণ রয়েছে, যা শীর্ষ আদালত চাইলে জমা করা যাবে। এ পি সিং এও দাবি করেন অন্য দোষী রাম সিং-এর তিহার জেলের ভিতর মৃত্যু কখনওই আত্মহত্যা হতে পারে না। তাকেও সম্ভবত খুন করা হয়েছিল। অক্ষয় সিং ঠাকুর নির্ভয়া ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মুকেশ সিং, পবন গুপ্তা, বিনয় শর্মার সঙ্গে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে৷ তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে৷ সুপ্রিম কোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখেছে৷ আগে মুকেশ সিং, পবন গুপ্তা, বিনয় শর্মা সুপ্রিম কোর্টের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করে৷ আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়৷

নির্ভয়া কাণ্ডের চার দোষী অক্ষয় ঠাকুর, মুকেশ সিংহ, বিনয় কুমার এবং পবন গুপ্তা তিহার জেলে বন্দি। আলাদা আলাদা সেলে রেখে সিসিটিভিতে নজরদারি চলে তাঁদের উপর। সাধারণত ফাঁসি হয় তিহারের তিন নম্বর জেলে। সেখানেই এই চার জনের ফাঁসির প্রস্তুতি চলছে বলে জেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলের এক আধিকারিক সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বলেছেন, আমাদের কাছে কোনও ফাঁসুড়ে নেই। প্রয়োজন হলেই অন্য রাজ্য থেকে ফাঁসুড়ে নিয়ে আসা হবে। এএনআই-এর দাবি, ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, বক্সার জেল থেকে ফাঁসির দড়ি এসে গিয়েছে। ‘ডামি’ দিয়ে মহড়াও সেরে ফেলা হয়েছে, যাতে নির্দেশ এলে দ্রুত তা কার্যকর করা যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here