মহানগর ওয়েবডেস্ক: একদলে স্টইনিস, আর অন্য দলে আগরওয়াল। কার্যত খেলা হল দুই দলের দুই ব্যাটসম্যানের। দিল্লির হয়ে বিপদের মুখে যেমন দুরন্ত খেললেন স্টইনিস, তেমনই রান তাড়া করতে নেমে মাথা ঠান্ডা রেখে অনন্য ইনিংস গড়লেন মায়াঙ্ক। টানটান উত্তেজক ম্যাচে শেষ হাসি হাসল দিল্লিই। তাও আবার সুপার ওভারে।

এদিন দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টসে জিতে দিল্লিকে ব্যাট করতে পাঠায় পঞ্জাব। লোকেশ রাহুলের সিদ্ধান্তে যে কোনও ভুল ছিল না, তা প্রমাণ হয় অল্প সময়েই। পরপর ফিরে যান পৃথ্বী শ, ধাওয়ান ও হেটমায়ার। এরপর শ্রেয়স আইয়ার ও ঋষভ পন্থ কিছুটা ধাক্কা সামলালেও মহম্মদ শামিরা তাদের বেশি থিতু হতে দেননি। পরের দিকে স্টইনিস অর্ধশত রান করেন। শেষমেষ ২০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১৫৭ রান করে দিল্লি। পঞ্জাবের মহম্মদ শামি তিনটি ও কট্রেল দুটি উইকেট নেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ঠিকঠাকই করেছিল কিংস ইলেভেন পঞ্জাব। দ্রুত রান তুলেছিলেন লোকেশ রাহুল। কিন্তু তিনি ফিরে যেতেই যেন বেহাল হয়ে যায় পঞ্জাব। পরপর আউট হন নায়ার, পুরান, ম্যাক্সওয়েল, সরফরাজ খানরা। অন্যদিকে, ফিল্ডিংয়ের সময় হাতে ছোট পান অশ্বিন। তবে পঞ্জাবের হয়ে ধীরে সুস্থে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর ইনিংস একেবারেই টি২০ সুলভ ছিল না। তবে প্রয়োজনে যে ইনিংস রোটেট করেও ম্যাচ জেতানো ( বা জয়ের কাছে নিয়ে যাওয়া) সম্ভব তা দেখিয়ে দেন তিনি। যে সময় মনে হচ্ছিল ম্যাচ হাসতে হাসতে জিতে নেবে পঞ্জাব, তখনই শেষ দুই বলে দুই উইকেট নেন স্টইনিস। ৮৯ রান করে এক বল বাকি থাকতে আউট হয়ে যান মায়াঙ্ক। শেষ বলে আউট হন জর্ডন। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করতে নামেন পঞ্জাবের পুরান ও রাহুল। কিন্তু সুপার ওভারে মাত্র দুই রান করে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে পঞ্জাব। দুরন্ত খেলা মায়াঙ্ক কেন সুপার ওভারে নামলেন না তা বোঝা গেল না। সুপার ওভারে তিন রান হাসতে হাসতে তুলে নেয় দিল্লি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here