corona vaccine

মহানগর ডেস্ক:  বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দেশের করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এই মুহূর্তে দুটো জিনিস প্রয়োজন। এক, কঠোরভাবে করোনা বিধি মেনে চলা এবং দুই, করোনার টিকা করণ। সেই করোনার টিকাতেই ঘাটতি দেখা দিয়েছে। দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বলেছেন, কোভ্যাক্সিন আর এক দিনের পড়ে রয়েছে। অন্য দিকে, কোভিশিল্ড পড়ে রয়েছে তিন দিনের বলে দিল্লির স্বাস্থ্য দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।

এর আগে অরবিন্দ কেজরিওয়াল করোনার ভ্যাক্সিনের ঘাটতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি বলেন, দিল্লির প্রতিবেশী এলাকা নয়ডা, গুরুগ্রাম, গাজিয়াবাদ থেকেও মানুষ করোনার ভ্যাকসিন নিতে শহরে আসছেন। যার জেরে দিল্লিতে করোনা ভ্যাক্সিনের আরও ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল কয়েকদিন আগে ঘোষণা করেছিলেন, তিন মাসের মধ্যে রাজধানীর সমস্ত বাসিন্দার ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ করা হবে। তিনি সেই সময় করোনা টিকা করণ কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করেন। এরপরে তিনি বলেন, এখন রাজধানীতে ১০০ টি স্কুলে করোনার টিকা করণ হচ্ছে। দিল্লিকে দৈনিক এক লক্ষ জনকে টিকা দেওয়া হচ্ছে। পরিকল্পনা করা হয়েছে, দিল্লির ৩০০টি স্কুলে টিকাকরণ করা হবে। দৈনিক প্রায় তিন লক্ষকে সাধারণ নাগরিককে টিকা করণ করা হবে। তবে টিকার ঘাটতি দেওয়ায় সেই পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হবে সেই নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টও কেন্দ্রের করোনা টিকাকরণের নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। সোমবারের শুনানিতে করোনার টিকা নীতি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র ও রাজ্যের টিকার দামে এত হেরফের কেন সেই নিয়ে জানতে চায়। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলে, কোন রাজ্য আগে টিকা পাবে ও কোন রাজ্য পরে টিকা পাবে, এই বিষয়ে কীভাবে কেন্দ্র সিদ্ধন্ত নিয়েছে। কেন্দ্রের টিকার নীতির সম্পূর্ণ পরিকল্পনা জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট। তবে সুপ্রিম কোর্টের এই অবস্থানে মোটেই খুশি নয় কেন্দ্র।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here