ডেস্ক: শনিবার দিল্লির রাজপথে উদ্ধার হয় ভারতীয় সেনার মেজর পদস্থ আধিকারিকের স্ত্রী’র গলা কাটা মৃতদেহ। আর তারপর থেকেই উঠে আসছে একের পর এক এমন তথ্য যা এই মৃত্যুর রহস্য আরও ঘনীভূত করছে।

সূত্রের খবর, মেজর অমিত দ্বিবেদীর স্ত্রী শৈলজা ঘটনার দিন সকালে ফিজিওথেরাপির জন্য সেনার হাসপাতালে গিয়েছিলে। দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট মেট্রো স্টেশনের পাশে বেলা ১টা নাগাদ পুলিশের কাছে খবর আসে, এক মহিলার দুর্ঘটনা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করার বেশ কিছু সময় পর জানা যায় মৃতা মহিলা মেজরের স্ত্রী। শৈলজার গলা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটা ছাড়াও খুনের পর তাঁর শরীরের উপর বেশ কয়েকবার মৃতদেহের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেহটিকে ক্ষতবিক্ষত করে দেওয়া হয় বলে দাবি করছে পুলিশ।

খুনের পদ্ধতি তদন্তকারীদের মনে সন্দেহের জাল বুনে দিলেও তা আরও শক্তপোক্ত করেছে পুলিশকে দেওয়া মেজর দ্বিবেদীর বয়ান। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, দিল্লি বদলি হওয়ার আগে তাঁর পোস্টিং যখন ডিমাপুরে ছিল সেখানে অন্য এক মেজরের সঙ্গে সম্পর্ক বেড়ে ওঠে শৈলজার। দিল্লি চলে এলেও যে সম্পর্ক জিইয়ে ছিল। খুন হওয়ার আগেও শৈলজা ওই মেজরের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন, এমনটাই উঠে এসেছে রেকর্ড থেকে। ফলে এই খুনের পিছনে ওই দ্বিতীয় মেজরের ভুমিকায় খতিয়ে দেখতে চায় পুলিশ।

খুনের পর থেকেই ওই মেজরের সন্ধানে লেগে পড়েছে পুলিশ। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে বিয়ে হয় মেজর অমিত দ্বিবেদী ও শৈলজার। তারপর থেকে সম্পর্কে খুব একটা সমস্যা ছিল বলেই খবর। দু’জনের একটি সন্তানও রয়েছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here