national news

Highlights

  • জামিয়ার ‘সংসদ চলো’ মিছিল আটকায় পুলিশ
  • মহিলা পড়ুয়াদের দাবি তাদের গোপনাঙ্গে সজোরে আঘাত করে পুলিশ
  • দিল্লি পুলিশের সাউথ-ইস্ট ডিসিপি রাজেন্দর প্রসাদ মিনা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন

মহানগর ওয়েবডেস্ক: সোমবার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে ‘সংসদ চলো’র ডাক দিয়েছিলেন জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্য়ালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। তবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশ সেই মিছিল আটকে দেওয়ার পড়ুয়া-পুলিশ সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। তবে পুলিশের মারধরের জেরে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয় অনেক পড়ুয়াকে। সেদিনের মিছিলে থাকা মহিলা পড়ুয়াদের দাবি তাদের গোপনাঙ্গে সজোরে আঘাত করে পুলিশ। আঘাত করা হয় পিঠে ও বুকে। তবে দিল্লি পুলিশের সাউথ-ইস্ট ডিসিপি রাজেন্দর প্রসাদ মিনা সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন। উল্টে তাঁর দাবি, ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগোতে চাইলে মিছিলকে বাধা দেওয়া হয়েছিল তবে লাঠিচার্জ করা হয়নি।

পুলিশের এই দাবির পড়ে মুখ খোলেন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন এক মহিলা পড়ুয়া। তাঁর কথায় পুলিশ খোলাখুলিভাবে লাঠি চালায়নি ঠিকই। তবে সামনে থাকা পুলিশেরা যখন প্রতিবাদীদের রুখছিলেন, তখন পিছন থেকে লম্বা লাঠি দিয়ে ক্রমাগত পেটে, পিঠে এমনকি গোপনাঙ্গে সজোরে আঘাত করে যাচ্ছিলেন পিছনে থাকা পুলিশ কর্মীরা। যে কারণে অনেকে গুরুতর চোট পান ও তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। অসুস্থ পড়ুয়াদের দাবি, আহত পড়ুয়াদের প্রথমে আনসারি হেল্থ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হলেও, বড়সড় চোটের কারণেই আল শিফা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে হয় অনেককে।

এমনকি পুলিশ ঘিরে ধরে দমবন্ধ পরিস্থিতি তৈরি করছিল বলেও অভিযোগ অনেকের। শ্বাসকষ্ট হওয়ার জেরেও অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেকেই। এমনকি কিছু মহিলার বোরখা ও হিজাব খুলে দেয় পুলিশ। টানা হয় চুল, জুতো দিয়ে লাথি মারা হতে থাকে ক্রমাগত। এমনটাই অভিযোগ পড়ুয়াদের।

কলেজ থেকে মাত্র দু কিলোমিটার দূরে ‘হাম কাগজ নাহি দিখায়েঙ্গে’ এই স্লোগান তুলে সংসদ ভবনের দিকে যাত্রা করেছিলেন জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। তবে মাঝপথে সিএএ-বিরোধী সেই মিছিল ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয় পুলিশ। যার জেরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন পড়ুয়ারা। ব্যারিকেড টপকে যাওয়ার চেষ্টা করে প্রতিবাদী পড়ুয়ারা। যা কেন্দ্র করে শুরু হয় পুলিশ -পড়ুয়াদের মধ্যে খন্ডযুদ্ধ।

পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ছোঁড়ে পুলিশ। ফাটানো হয় কাঁদানে গ্যাসের সেলও। বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা এর মাঝেই স্লোগান দিতে থাকে ‘আইন কে দম পর মার্চ করেঙ্গে’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here