মহানগর ওয়েবডেস্ক: কথায় আছে, ‘চুরি বিদ্যা মহাবিদ্যা যদি না পড় ধরা’। হাঙ্গেরির ক্ষেত্রে এই প্রবাদ বাক্য হুবহু মিলে যাচ্ছে। তবে সেখানে কেউ চুরি করেনি, অধ্যায় শেষ করেছে। কথা হচ্ছে হাঙ্গেরির গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে। গোটা বিশ্বের মতো হাঙ্গেরিও ত্রস্ত করোনাভাইরাসকে নিয়ে। এই মহামারীর মাঝেই গণতন্ত্র শেষ হয়ে গেল সে দেশে! শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনা বাস্তব। এর পেছনে মূল কান্ডারী হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর আরবান।

ভাইরাস আতঙ্কে হাঙ্গেরির মানুষ যখন আতঙ্কিত ঠিক এমন সময়েই প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সরকার পাস করিয়ে দিল আপৎকালীন বেশকিছু ক্ষমতার আইন। এই আইন অনুযায়ী হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী যা ইচ্ছা করতে পারেন! সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই আইন শেষ হওয়ার কোনো আক্ষরিক সময় নেই। অর্থাৎ এক কথায়, আপৎকালীন ক্ষমতাসম্পন্ন এই আইনের কোন এক্সপায়ারি ডেট নেই। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্যতম গণতান্ত্রিক দেশ ছিল হাঙ্গেরি। কিন্তু যেই মুহুর্তে প্রধানমন্ত্রী নিজেকে আপৎকালীন ক্ষমতার অধিকারী করলেন, সেই মুহূর্ত থেকে হাঙ্গেরিতে গণতন্ত্র আর রইল না।

প্রধানমন্ত্রী এই ক্ষমতা বলে যখন যা ইচ্ছা করতে পারেন, বিরোধী দল বা সাধারণ মানুষ কেউই তার বিরুদ্ধে কিছু করতে পারবে না। আর যেহেতু এই আইনের কোন এক্সপায়ারি ডেট রাখা হয়নি, সেহেতু করোনাভাইরাস মহামারী শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও এই আইন বলবৎ থাকবে। তাই বলা যায়, করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেই দেশের গণতন্ত্র একা হাতে শেষ করলেন প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here