Parul

মহানগর ডেস্ক: ডেনমার্ক বনাম ফিনল্যান্ডের ম্যাচে মুহূর্তের মধ্যে যেন নেমে এসেছিল দুঃস্বপ্নের রাত। হঠাৎই মাঠে লুটিয়ে পড়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ান এরিকসন। দুই দলের স্টাফ-ফুটবলার, দর্শক প্রত্যেকেই হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছিলেন নিমেষের জন্য। কোপেনহেগেনের স্টেডিয়ামে তখন কেবল আশঙ্কার মেঘ। এরপরেই ঘটনা ম্যাচের পর ব্যাখ্যা করেছেন ডেনমার্ক দলের চিকিৎসক মার্টিন বোয়েসেন।

ads

মার্টিন জানিয়েছেন, সাময়িকভাবে তিনিও বুঝতে পারছিলেন না ঠিক কী হয়েছে এরিকসনের। তিনি শুধু দ্রুত ছুটে গিয়েছিলেন তাঁর কাছে। মেডিকা টিমও এসেছিল চটজলদি। সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এরিকসনের পাল্স। সিপিআর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন চিকিৎসকরা। দুই দলের ফুটবলারদের তখন মাথায় হাত। জার্সি দিয়ে মাথার ঘাম মুছছেন কেউ কেউ। কাজে দিয়েছিল ঠিক সময়ে সিপিআর। মাঠ থেকে সোজা নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেখানেই ডেনিশ তারকার হুঁশ কিছুটা ফিরেছিল বলে জানিয়েছেন মার্টিন।

তিনি পরপর বলতে থাকলেন, ‘আমি যখন পৌঁছালাম তখন শ্বাস পড়ছিল ক্রিসের। পাল্স ছিল। নিমেষে বদলে গেল সবকিছু। বাকিটা মাঠে উপস্থিত প্রত্যেকে দেখেছেন। সিপিআর দেওয়া হচ্ছিল। মেডিক্যাল টিম এবং অন্যান্য কর্মীরা দ্রুততার সঙ্গে এসেছিলেন। যতটা তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়েছিলাম।’

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী আগের থেকে স্থিতিশীল এরিকসন। তাঁর আরোগ্য কামনা করছেন ক্রীড়াপ্রেমী থেকে ক্রীড়াবিদ সকলে। এরিকসনকে হাসপাতালে পাঠানোর পর আবার শুরু হয়েছিল ম্যাচ। যদিও ফিনল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক গোলের ব্যবধানে পরাস্ত হতে হয়েছে ডেনমার্ককে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here