ডেস্ক: গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের তরফে ভোটের দিনক্ষণ প্রকাশের পর, নির্বাচনী মশালে আগুন লেগে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। প্রচারের মাঠে নেমে পড়েছেন শাসক বিরোধী দুই পক্ষই। বিজেপির নির্বাচনী প্রচারকে হাতিয়ার করে এবার নরেন্দ্র মোদীকে চাপের মুখে ফেললেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন। ভোট প্রচারে নাবালক-নাবালিকাদের ব্যবহার করেছেন মোদী এই অভিযোগে এদিন মোদীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে টুইট করলেন ডেরেক।

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী ভোট প্রচারে ১৮ বছরের কম বয়সী ছেলে মেয়েদের ব্যবহার করার নিয়ম নেই। নির্বাচন কমিশনের সেই ছবি পোস্ট করে মোদীকে উদ্দেশ্য করে এদিন ডেরেক লেখেন, ‘ডিসলেক্সিয়া রোগে আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে মজা করার পর ফের মোদী ও বিজেপি একই কাজ করল। রাজনৈতিক প্রচারের কাজে ব্যবহার করা হল ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের।’ যে ভিডিও প্রচার নিয়ে ডেরেকের এই অভিযোগ সেটি শনিবার ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’ স্লোগানের ভিডিও। ওই ভিডিওতে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের নারী-শিশু, পুরুষ-বৃদ্ধদের দেখা গিয়েছে যারা মোদী সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের প্রশংসা করেছে। মোদীর প্রত্যেক প্রকল্পের কথা ফুটে উঠেছে তাঁদের মুখ থেকে। আর এখানে শিশুদের ব্যবহার নিয়েই মোদী সরকারকে তোপ দেগেছেন ডেরেক। তাঁর অভিযোগ এটা নির্বাচন কমিশনের নিয়মকে ভঙ্গ করে। যদিও এই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্ত হবেন কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছুই জানাননি।

উল্লেখ্য, সপ্তাহ দুয়েক আগে ছাত্র ছাত্রীদের এক অনুষ্ঠানে রাহুল সোনিয়াকে বিঁধতে গিয়ে ‘ডিসলেক্সিয়া’ আক্রান্ত শিশুদের নিয়ে মন্তব্য করে বিতর্কের মুখে পড়েন মোদী। তাঁর কথায়, ‘যে সমস্ত ডিসলেক্সিক বাচ্চাদের শেখার গতি খুব ধীর, যারা অনেক সময় নেয় লিখতে, অথচ বুদ্ধিমত্তা ও সৃজনশীলতা খুবই বেশি, যেমন ‘তারে জমিন পর’ সিনেমাটায় দেখা গেছে দর্শিল বলে ছেলেটি….’। এরপরই তিনি বলেন, ‘এই একই জিনিস কি ৪০ থেকে ৫০ বছরের ধেড়ে খোকাদের ক্ষেত্রেও কাজ করবে। যদি হয় তবে বুড়ো খোকাদের মায়েরা খুব খুশি হবেন।’ বলা বাহুল্য মোদীর এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here