kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদা: আট মাস আগে পরিচয়। আর সেই পরিচিতি থেকে প্রণয়ের সম্পর্ক। পাঁচ মাস আগে বিয়ে। বাড়িতে না জানিয়ে এই বিয়ে হওয়ার ফলে সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে এক বন্ধুর বাড়িতে থাকে এক মাস। সেখান থেকে পরে ভাড়াবাড়িতে আরও দেড় মাস একসঙ্গে কাটায়। পরে স্ত্রীকে ভাড়া বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী। বাধ্য হয়েই স্ত্রীর মর্যাদা পেতে স্বামীর বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছেন স্ত্রী। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। এদিকে, গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় দেখা মেলেনি অভিযুক্ত স্বামীর। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার রতুয়া ১ ব্লকের সামসির সোহরাতলা এলাকায়।

স্ত্রীর মর্যাদা পেতে ধর্নায় বসা যুবতীর নাম নাসিমা খাতুন। বাড়ি রতুয়া ২ ব্লকের সম্বলপুর গ্রামে৷ জানা গিয়েছে, প্রায় ৮ মাস আগে সামসইতে তাঁর পরিচয় হয় সোহরাতলা গ্রামের যুবক সাহেব শেখের সঙ্গে৷ প্রায় পাঁচমাস আগে সাহেব তাঁকে বিয়ে করে৷ নাসিমার অভিযোগ, বিয়ের পর সাহেব তাঁকে এক বন্ধুর বাড়িতে রাখে৷ সেখানে তাঁরা প্রায় একমাস একসঙ্গে কাটান৷ তারপর ভাড়াবাড়িতে তাঁরা দেড়মাস একসঙ্গে কাটান৷ এরপরেই সাহেব তাঁকে বলে, সে তাঁকে তালাক দেবে৷ তিনি এনিয়ে ঝামেলা শুরু করায় ওই ভাড়াবাড়িতে তাঁকে রেখে পালিয়ে যায় সাহেব৷ নাসিমা জানতে পারেন, সাহেবের বাড়ির লোকজন অন্য জায়গায় তার বিয়ে ঠিক করেছে৷ বাধ্য হয়ে তিনি সাহেবের বাড়ির সামনে ধর্নায় বসেছেন৷ যতক্ষণ না তাঁকে স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে স্বামীর ঘরে তোলা হচ্ছে, ততক্ষণ তিনি এখানেই বসে থাকবেন বলে জানিয়েছেন৷ তা না হলে তিনি আত্মহত্যা করবেন৷

এদিকে সাহেবের দাদা শিকসাব শেখ বলেন, তিনদিন ধরে ভাইয়ের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না৷ এই মেয়েটিকে তাঁরা আগে কখনও দেখেননি৷ তাই ভাই বিয়ে করেছে কিনা তা তাঁদের জানা নেই৷ ভাই না ফিরলে তাঁরা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন না৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here