ডেস্ক: নাটকীয় পটপরিবর্তন কর্ণাটক বিধানসভা নির্বাচনের৷ মঙ্গলবার সকাল থেকে একের পর এক আসনে জয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই উল্লাসে ফেটে পড়েন বিজেপি সমর্থকরা৷ বেলা যত গড়িয়েছে, সেই উল্লাস ততই বেড়েছে৷ কিন্তু সেই উল্লাস এখন যেন উধাও৷ দুপুর পর্যন্ত গেরুয়া সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড় বিকেলে বিন্দুতে এসে ঠেকেছে৷ ২২৪ আসন বিশিষ্ট (২টি কেন্দ্রে ভোট হয়নি) কর্ণাটক বিধানসভার এককভাবে ১০৪টি আসন পেয়েছে ইয়েদুরাপ্পার বিজেপি৷ কংগ্রেস পেয়েছে ৭৮টি আসন৷ জেডিইউ-এর ঝুলিতে গিয়েছে ৩৮টি আসন৷ এবং কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল পেয়েছে ২টি আসন৷ অর্থাৎ, সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হলেও সরকার গঠনে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে বিজেপি৷ ম্যাজিক ফিগার থেকে ৮টি আসন থেকে দূরে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহদের দল৷ কোনও দলই নিরঙ্কুশ সংস্যা না পাওয়ায় এখন আশা-আকাঙ্খার দোলাচলে বিজেপি সমর্থকরা৷

অন্যদিকে, বিজেপিকে রুখতে কংগ্রেস সমর্থন করবে জেডিএস-কে৷ এবং সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে জেডিএস প্রধান কুমারস্বামীকে প্রস্তাব দিয়েছে কংগ্রেস৷ এই দুই দল মিলিয়ে মোট আসন সংখ্যা ১১৬টি আসন৷ এবং দুটি নির্দল নিয়ে মোট ১১৮টি আসন৷ ইতিমধ্যেই সরকার গঠনের জন্য রাজ্যপাল বাজুভাই রূদ্রভাই ভালাকে চিঠি দিয়েছেন কুমারস্বামী৷ চিঠিতে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, সরকার গঠনের জন্য কংগ্রেসকে সমর্থনের আবেদন গ্রহণ করেছেন তাঁরা। এই মর্মে আজ বিকেল ৫:৩০টা থেকে ৬টার মধ্যে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন তিনি।

এই জোটকে আরও জোরদার করতে ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন কংগ্রেসের সিদ্ধারামাইয়া। দুটি কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন সিদ্দারামাইয়া৷ এর মধ্যে চামুণ্ডেশ্বরী কেন্দ্রে হারের মুখ দেখতে হয়েছে সিদ্দারামাইয়াকে৷

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here