pic-kolkata bengali news

ডেস্ক: এনডিএ বা ইউপিএ-র পক্ষে নয়। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ত্রিশঙ্কু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সিংহভাগ রাজনৈতিক পন্ডিতরা। সে ক্ষেত্রে সরকার গঠনের সময় আঞ্চলিক দলগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। আর এখানেই ৪২-এ ৪২টি আসন জিতে দিল্লি মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আগামী প্রধানমন্ত্রী রূপে দেখতে চাইছে তাঁর দল। কিন্তু দিল্লির পথ যে মোটেই সোজা হবে না তা এদিন ফের মনে করিয়ে দিলেন নরেন্দ্র মোদী।

আসানসোলে বাবুল সুপ্রিয়র সমর্থনে সভা করতে আসেন নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তৃণমূল নেত্রীকে বাক্যবাণে ঘায়েল করার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাতেও জল ঢালতে ব্যস্ত হন মোদী। সারদা-নারদা থেকে শুরু করে রোজভ্যালি। সব নিয়েই মমতাকে খোঁচা মারেন তিনি। মোদী বলেন, ‘দিদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পদ সারদার টাকায় কেনা যাবে না দিদি। এই পদ ১৩০ কোটি দেশবাসীর আশীর্বাদ।’

১৯ জানুয়ারি ব্রিগেডের মঞ্চে বিরোধী নেতা-নেত্রীদের এক ছাতার তলায় নিয়ে এসেছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আব্দুল্লাহও। তিনিই আবার সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরের জন্য আলাদা প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেও মমতাকে বিঁধেন মোদী। বলেন, কলকাতায় আপনি যাদের হাত ধরে নাচছিলেন তারা তো আলাদা প্রধানমন্ত্রী চান। আপনিও কি তাহলে দেশের জন্য আলাদা প্রধানমন্ত্রী চান নাকি? এয়ার স্ট্রাইক, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের সময় চোখের জল ফেললেন দিদি। এটাই কি আপনার নীতি?

সারদা-নারদার মতো চিটফান্ড তো ছিলই। বাংলাদেশি অভিনেতাদের এনে প্রচার করার জন্যও তৃণমূল সুপ্রিমোকে একহাত নেন বিজেপি প্রধানমন্ত্রী। মমতাকে কটাক্ষ করে বলেন, দিদির সমাবেশে লোক হচ্ছে না তাই বাংলাদেশ থেকে ফিল্ম তারকা এনে ভিড় বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। কিন্তু ভাড়ার গুন্ডা দিয়ে রাজ্য শাসন করানোর দিন ফুরিয়ে এসেছে। এবার মানুষ আপনাকে বিদায় জানাবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here