ডেস্ক: গতকালই বেনজির সাফল্যের সঙ্গে বেঙ্গালুরু থেকে হৃদপিণ্ড এনে তা ঝাড়খণ্ডের যুবকের বুকে প্রতিস্থাপন করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছিলেন ইএম বাইপাসের ফোর্টিস হাসপাতালের চিকিৎসকেরা। আজ হাসপাতালের তরফে প্রকাশিত মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, প্রতিস্থাপিত হৃদয় ঠিকমতো কাজ করছে। ক্রমশ সুস্থ হওয়ার পথে অগ্রসর হচ্ছেন দেওঘরের স্কুলশিক্ষক দিলচাঁদ সিং।

এই অসামান্য সাধন করার পর এখন দিলচাঁদ স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন বলে সংবাদ মাধ্যমকে জানান চিকিৎসকেরা। মঙ্গলবার হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ভেন্টিলেশন থেকে বের করে রাখা হয়েছে দিলচাঁদকে। আপাতত সুস্থ অবস্থায় রয়েছে তিনি। স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস প্রশ্বাস নিচ্ছেন তিনি। খাওয়া-দাওয়াও স্বাভাবিক চলছে। তবে এখনই বিষয়টি নিয়ে বিশদে আলোচনা করতে চাইছেন না চিকিৎসকরা। কারণ ৯৬ ঘণ্টা পর্যন্ত দিলচাঁদকে পর্যবেক্ষণে রাখতে চাইছেন তারা। তারপরই তিনি বিপদমুক্ত কিনা সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

এই অস্ত্রোপচারের অন্যতম কারিগর তাপস রায় চৌধুরি বলেন, ”কলকাতা কেবল নয়, পূর্ব ভারতেও এমন জটিল অস্ত্রোপচারের ঘটনা এই প্রথম। এটা এক প্রকার ইতিহাস বলা চলে। কারণ, চেন্নাই থেকে চিকিৎসকরা বেঙ্গালুরু গিয়ে ব্রেনডেথ হওয়া ব্যক্তির হৃৎপিণ্ড সংগ্রহে নেন। এরপর তা বিমানে উড়িয়ে কলকাতায় নিয়ে এসে প্রতিস্থাপন করেন অন্য এক রোগীর দেহে। এমনটা আগে কখনও হয়নি।”

আজ সকালেও দিলচাঁদকে দেখে ইতিবাচক সংকেত দেন তাপস রায় চৌধুরি। দিলচাঁদ চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে এবং দ্রুত উন্নতি করছেন বলে জানান তিনি। তবে ৯৬ ঘণ্টা না কাটলে এখনই তাঁকে বিপদমুক্ত বলে দেওয়া যাবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here