ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটপূর্বে ক্রমবর্ধমান ভাবে বেড়ে চলা হিংসা, ও রাজ্যজুড়ে সাম্প্রদায়িকতার রক্তাক্ত হাত যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছে তারই প্রতিবাদে রবিবার শহরে শান্তি মিছিলের ডাক দিয়েছেন বুদ্ধিজীবীরা। তবে তার আগেই সাংবাদিকদের সামনে শহরের বুদ্ধিজীবীদের শাসক দলের তাবেদার বলে কটাক্ষ করে একহাত নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

রবিবার নিজের বিধানসভা এলাকা খড়্গপুরে সাংবাদিকদের সামনে দিলীপবাবু বলেন, ‘এইসব বিদ্বজনেদের মিছিলের আদপে কোনও গুরুত্ব নেই। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে কোনও গুরুত্ব নেই এদের। এঁরা আসলে শাসক দলের তাবেদার। ওঁদের অন্নগ্রাহী। সমাজ থেকে জনবিচ্ছিন্ন এঁরা। এদেরকে গুরুত্ব দেওয়ার কিছু নেই। এরা যে বুদ্ধিজীবি বেঁচে আছে তা প্রমান দেওয়ার জন্য রাস্তায় নামছে।’ তবে শুধু বুদ্ধিজীবীদের কটাক্ষ করেই খান্ত থাকেননি দিলীপ ঘোষ। চিরাচরিত ভঙ্গিতে শাসক দল ও রাজ্য পুলিশকেও একহাত নেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘যেখানেই মনোনয়ন দিতে যাচ্ছি, সেখানে গুন্ডা বসে রয়েছে ৷আমরা তৃণমূলের ভাষাটা জানি ৷ সেই ভাষাতেই জবাব দেওয়া শুরু হয়েছে ৷ যে তাদের ভাষা পরিবর্তন হতে শুরু করেছে ৷ এতোদিন গুন্ডাদের মারা হচ্ছিল,এবার পান্ডাদের মারা হবে ৷তারা যেন সাবধানে থাকে ৷উত্তর থেকে দক্ষিণ সব স্থানে জবাব দেওয়া শুরু হয়েছে ৷যদি দম থাকে ,ঘোমটা দিয়ে এসে যারা মারামারি করছিল তাদের ঘোমটা খুলে মারামারি করুক ৷আমরা জানি কেমন ভাবে পেটাতে হয় ৷ মনোনয়নে যা করেছি,নির্বাচনে তার প্রভাবও পাবেন ৷ভোট করাতে গেলে স্ট্রেচারে শুয়ে বাড়ি ফিরতে হবে ৷এই মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে তৃণমূলের নেতারা যেন ভোট কেন্দ্রে যায়।’

রাজ্যে ক্রমবর্ধমান ভাবে বেড়ে চলা হিংসার জন্য রাজ্য পুলিশকে তৃণমূলের দলদাস বলে কটাক্ষ করে দিলীপবাবু বলেন, ‘শাসকদলের ইঙ্গিতে বিরোধী প্রার্থীদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ভোটের এখনও মাসখানেক বাকি আছে, এখনই যদি পুলিশ ঠিকঠাক না হয় তাহলে পুলিশকেও ছাড়া হবে না। গণতন্ত্রকে খুন করার চেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষই এর প্রতিবাদ করবে।’

দিলীপ ঘোষের পাল্টা দিয়ে এদিন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি বলেন “যার যেমন রুচি সে তেমন কথা বলবেন ৷ মানুষ দেখুন কারা শান্তিকামী,কারা বিধ্বংসী৷ যাদের নেতাদের কথা এমন,তাদের কর্মীরাতো এমন রক্তক্ষয়ী হামলা করবেই ৷ প্রশাসনকে অনুরোধ করবো এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে৷’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here