kolkata bengali news

মহানগর ওয়েবডেস্ক: গত বছর সন্ত্রাসবিদ্ধ কাশ্মীরে লেখা হয়েছিল এক রূপকথা। রিয়াল কাশ্মীরের রূপকথা। শ্রীনগরের ক্লাবটি প্রথমবার আই লিগে খেলার সুযোগ পেয়েই তিন নম্বরে শেষ করেছিল লিগের। বোমা-গুলির আতঙ্ক ছেড়ে মাঠমুখী করেছিল শ্রীনগরের বাসিন্দাদের। তাঁদের সেই অসাধারণ রূপকথাকে ক্যামেরাবন্দি করেছিল বিবিসি। ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের সেই তথ্যচিত্রই এবার ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি অফ ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (বাফটা) পুরস্কারের দুটি বিভাগে মনোনয়ন পেল।

তথ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছিলেন গ্রেগ ক্লার্ক। তিনি ‘ডিরেক্টর-ফ্যাকচুয়াল’ বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছেন। আর গোটা তথ্যচিত্রটি ‘সিঙ্গল ডকুমেন্টারি’ বিভাগে মনোনীত হয়েছে। তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়েছে রিয়াল কাশ্মীরের স্কটিশ কোচ ডেভিড রবার্টসনের ওপর। কীভাবে স্কটল্যান্ড ছেড়ে উত্তপ্ত কাশ্মীরে এসে কিছু অচেনা অথচ প্রতিভাবান ছেলেদের ভারতীয় ফুটবলের মূলক্ষেত্রে নিয়ে এলেন সেটাই এই তথ্যচিত্রের গল্প।

গোটা ডকুমেন্টারিটির দৈর্ঘ্য প্রায় এক ঘণ্টা। তথ্যচিত্রটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে এক কোটি চার লক্ষ টাকা। প্রসঙ্গত, এর আগে বিবিসি ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে নিয়ে একটি তথ্যচিত্র বানিয়েছিল, যা তৈরি করতে এর ২০ গুণ বেশি খরচ হয়েছিল। এই তথ্যচিত্র প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রবার্টসন বলেন,

‘আমি আমার বাড়ি, দেশকে মিস করি। কিন্তু আমার এখনও এখানে অনেক কাজ বাকি আছে। একটা সময় আসবে যেদিন হয়তো রিয়াল কাশ্মীর আমায় আর চাইবে না বা আমিই নিজে থাকতে চাইব না। কিন্তু এই মুহূর্তে আমি নিজের কাজটা খুব এনজয় করছি। আমিই এই দলের একমাত্র কোচ। তাই অন্য কাউকে কোচিং করাতে দেখলে একটু খারাপ তো লাগবেই। দলের সকলের সঙ্গে মানসিকভাবে জড়িয়ে পড়েছি।’

পরিচালক গ্রেগ জানান,

‘উপত্যকায় যতই সমস্যা থাকুক না কেন, রিয়াল কাশ্মীরের হোম ম্যাচে ২০ হাজারের বেশি লোক খেলা দেখতে আসতেন। এই তথ্যচিত্রে কাশ্মীরের ফুটবলের জনপ্রিয়তা ও এই খেলা সকলকে কীভাবে একাত্ম করেছে, সেটাই তুলে ধরেছি। বাফটায় মনোনীত হওয়া আমার কাছে যেমন, তেমন ক্লাবের কাছেও বড় গর্বের।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here