মহানগর ওয়েবডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে জাতীয় নিরাপত্তা আইনে দীর্ঘদিন জেলবন্দী থাকার পর মুক্তি পেয়েই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর পর প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাত করেছিলেন ডাঃ কাফিল খান। সেই ঘটনার পর এবার কংগ্রেসের সংসদীয় দল নেতা অধীর চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন তিনি। পরপর কংগ্রেসের দুজন হেভিওয়েট নেতৃত্বের সঙ্গে কফিল খানের এই সাক্ষাতের পর স্বাভাবিক ভাবেই জল্পনা চলেছে তার কংগ্রেস যোগের।

জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে তার বাড়ি যান কাফিল খান। সেখানে দীর্ঘক্ষন দুজনের মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। যদিও কি বিষয়ে তাদের মধ্যে কথাবার্তা হয়েছে সেটা স্পষ্ট হয়নি। তবে কংগ্রেসের সঙ্গে কফিল খানের যোগাযোগ যে বেশ নিবিড় বহুবারই প্রকাশ এসেছে। জেলবন্দি থাকাকালীন জেনে গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাত্ করেছিলেন কংগ্রেসের মহাসচিব প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। জেলবন্দি কাফিলের হয়ে সওয়াল করতেও দেখা যায় একাধিক কংগ্রেস নেতাকে। ফলে ডাক্তারি পাশাপাশি কাফিল খান যদি কংগ্রেসে যোগ দেন তাতে খুব বিশেষ বিস্মিত হওয়ার মত কিছুই নেই। গত সোমবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং আজ অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে কফিল খানের এই সাক্ষাৎ সে দিকেই ইঙ্গিত করছে।

বৃহস্পতিবার কাফিল খানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এক টুইট করেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এখানে তিনি লেখেন, ‘আজ আমার দিল্লির বাড়িতে ডা. কাফিল খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কথাবার্তা হল। ডা. কাফিল খান যাঁকে NSA আইনে ফাঁসানো হয়েছিল, বিষয়টি নিয়ে তখন প্রধানমন্ত্রীকেও চিঠি লিখেছিলাম। দীর্ঘ লড়াই ও বহু হেনস্তার পর গত ১ সেপ্টেম্বর এলাহাবাদ হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয়।’

প্রসঙ্গত, সিএএ আইনের বিরুদ্ধে কাফিল খানের প্রতিবাদী বক্তৃতার জেরে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। সেই ঘটনার পর জাতীয় নিরাপত্তা আইনে দিনের পর দিন জেলবন্দি হয়েছিলেন এই ডাক্তার। চলতি মাসের শুরুতেই আদালতের নির্দেশে মুক্তি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তার গ্রেফতারি বেআইনি বলেও অভিযোগ করেন বিচারপতি। জেল মুক্তির পর উত্তর প্রদেশ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার রাজ ধর্ম পালন না করে শিশুসুলভ আচরণ করছে। অন্য মামলায় তাকে যে ফের ফাঁসানো হতে পারে সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here