kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারুইপুর:  রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার বেশ কিছু এলাকা স্পর্শকাতর হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। এমনকী কালিকাপুর পঞ্চায়েত এলাকাও স্পর্শকাতর এলাকা বলে সিল করে দেওয়া হয়েছে। এর জেরেই শুক্রবার পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড বৈকুণ্ঠপুরে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি বাড়ানো শুরু হল। একই সঙ্গে কালিকাপুর পঞ্চায়েত এলাকাতেও একইভাবে নজরদারি চালানো হল। এই নজরদারি সোনারপুর-রাজপুর পুরসভা এলাকার যে সব ওয়ার্ড স্পর্শকাতর ঘোষণা হয়েছে, সেই সব এলাকা ও স্পর্শকাতর পঞ্চায়েত এলাকাতেও জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন বারুইপুর পুলিশ জেলার ডিএসপি মির্জা মির কাশেম। এইসব এলাকাতেই মাইকিং-এর মাধ্যমে সচেতনতার প্রচার চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাঁশের ব্যারিকেড করে দিয়ে সিল করে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হরিতকিতলার বাসিন্দা এক নার্সের শরীরে গত রবিবার দুপুরে দ্বিতীয় দফার টেস্টে করোনা পজেটিভ আসে। আর তারপরেই তাকে ভর্তি করা হয় এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে। এই খবর জানাজানি হতেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। ওই নার্সের বাবা ও মাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে।

জানা গিয়েছে, মেটিয়াবুরুজের একটি নার্সিংহোমে ওই মহিলা নার্সের কাজ করেন। তাঁর শরীর খারাপ হওয়ায় গত ১০ এপ্রিল তার করোনা ভাইরাস টেস্ট করা হয়। কিন্তু সেই পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর ওই নার্স বাড়িতে বাবা ও মায়ের কাছে চলে এসেছিলেন। এই কয়েকদিন তিনি সেখানেই পরিবারে সঙ্গে থাকছিলেন। রবিবার দ্বিতীয় দফার পরীক্ষার দিন ছিল। আর সেই পরীক্ষা করার পরই তাঁর শরীরে করোনার অস্তিত্ব ধরা পড়েছে। এরপরই তাঁকে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁর বাবা ও মাকে কোয়ারেন্টিনে নিয়ে গেছে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here