kolkata news

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, বেলদা: করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কে গত এক সপ্তাহ ধরে বাড়ির মধ্যেই ছিলেন। সারা দিনের বিভিন্ন সময়ে বাড়ির বাইরে ঘোরাফেরা করা স্বভাবের ওই বৃদ্ধ বুধবার আত্মঘাতী হলেন গলায় দড়ি দিয়ে। পরিবার ও প্রতিবেশীদের দাবি, গৃহবন্দি থাকার কারণে মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা থানার অন্তর্গত খালিনা গ্রামে। এই গ্রামের বাসিন্দা হরেন্দ্র জানা (৭৭) করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক পর্বে বাড়ির মধ্যেই কাটাচ্ছিলেন কয়েকদিন। ভাইরাসের আতঙ্ক নিয়ে বারবার টিভিতে খবর দেখার মাঝে মাঝে উদ্বিগ্ন হয়ে বাড়ির বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করেছেন। প্রতিবেশীদের কাছে বাধা শুনে পুনরায় বাড়ির মধ্যে ঢুকে যেতেন।

স্থানীয় বাসিন্দা তথা প্রতিবেশী সুশান্ত জানা বলেন, এই ভাইরাসের খবর শুনে উদ্বিগ্ন ছিলেন তিনি। বাড়ির বাইরে ঘোরাফেরা স্বভাবের ওই ব্যক্তি এক সপ্তাহ ধরে আবদ্ধ থাকায় মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। মাঝেমধ্যে বেরোনোর চেষ্টা করলে আমরা বারণ করতাম। আবার বাড়িতে ঢুকে পড়তেন। অবশেষে বুধবার দুপুরে নিজের ঘরে গলায় দড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। মানসিক অবসাদের কারণেই ও আতঙ্কে সম্ভবত আত্মঘাতী হলেন তিনি। ঘটনার পর বেলদা থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়।

উল্লেখ্য, করোনা হয়েছে! আর এই ভুয়ো গুজব ছড়ানোয় আতঙ্কে আত্মহত্যা করেন এক যুবক। রবিবার বিকালে ঘটনাটি ঘটে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা থানার অন্তর্গত কেমিয়া এলাকায়। ১৪ দিন আগে কলকাতা থেকে ফিরে আসেন বাড়িতে। তারপর থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেখান থেকে পাড়ায় রটে যায় ওই যুবক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এমন অবস্থায় তার মা-কেও ছেলের সঙ্গে দেখা করতে দিচ্ছিল না পাড়ার লোকজন। এমনকী তাকে বাড়ির বাইরে যেতে দেওয়া হতো না বলে পরিবারের অভিযোগ। ছেলের খাবার নিয়ে পাড়ার রাস্তা দিয়ে যেতে বাধা দেওয়া হতো বলে জানান রাকেশের মা। তারপর অবসাদে আত্মঘাতী হন ওই যুবক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here