law news

মহানগর ওয়েবডেস্ক : গোটা বিশ্ব জুড়ে ত্রাসের সৃষ্টি করেছে করোনা ভাইরাস। এই মারণ রোগের হানায় বিপর্যয়ের মুখে গোটা মানবসভ্যতা। ভারতে যাতে এই রোগ মহামারীর আকার না ধারণ করতে পারে তাই গত মঙ্গলবার গভীর রাত ১২ টা থেকেই দেশজুড়ে আগামী ১৪ এপ্রিল রাত ১২ টা পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পাশাপাশি গোটা দেশেই জারি হয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা আইন।

এই আইন লাগু হওয়াতে এখন দেশের প্রত্যেকটি রাজ্য মারণ রোগ করোনা আটকাতে কেন্দ্রের দেওয়া নির্দেশ মেনেই চলতে হবে। গত ২৪ মার্চ অর্থাৎ মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় এই আইনের উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এই আইনের আওতায় থাকছে না অত্যাবশকীয় পণ্য। এদিকে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয় যেহেতু রাজ্যের অধীনে থাকে এবার প্রয়োজনে এই আইনের ভিত্তিতেই কেন্দ্র ওই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারে।

সূত্রের খবর, গতকাল রাতেই কেন্দ্রের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে এই আইনের বিষয়ে ভিডিও কনফারেন্সে কথা হয়েছে প্রত্যেকটি রাজ্যের মুখ্যসচিবদের। যদিও করোনা মহামারীর সংক্রমন আটকাতে কোনও রাজ্য চাইলেই ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে কিনা, সেই বিষয়ে কেন্দ্রের এই জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা আইনে কিছুই বলা নেই। ইতিমধ্যেই করোনা সংক্রমন আটকাতে মুম্বইতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উদ্ধবের সরকার। জমায়েত, ভিড় করে বাজার করা নিষিদ্ধ করেছে সেখানকার প্রশাসন। এর আগে ২০০৫ সালে এই আইন লাগু করা হয়েছিল, তবে ভারতে করোনা সংক্রমন ঠেকাতেই এই প্রথম জারি হয়েছে এই আইন ।

জাতীয় নিরাপত্তা আইনে এও বলা রয়েছে এই সময় যদি কেউ বা কোনও ব্যাক্তি প্রশাসন বা সরকারের নির্দেশ অমান্য করে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। প্রাকৃতিক কোনও দুর্যোগ কিংবা মানুষ সৃষ্ট কোনও বিপর্যয় কে রোধ করতেই এই আইন লাগু করে সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here