corona vaccine

মহানগর ডেস্ক: করোনা ভ্যাকসিন ব্যাপক পরিমাণে বাইরে রফতানি করছে ভারত। বিপুল জনসংখ্যার দেশ ভারতে যার জেরে করোনা ভ্যাকসিনের অভাব দেখা দিতে পারে। এই নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গে যদিও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন, করোনার টিকা যথেষ্ট পরিমাণে মজুদ আছে। দেশে কোনওভাবেই করোনার টিকার ঘাটতি হবে না। যদিও অন্ধ্রপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রে করোনার টিকার ঘাটতি দেখতে পাওয়া গিয়েছে।

মহারাষ্ট্রে ঘাটতির কারণে ২৬টি করোনা টিকা করণ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বুধবারই মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপী বলেছেন, রাজ্যে যে পরিমাণ ভ্যাকসিন রয়েছে, তাতে বড়জোড় তিন দিন চলতে পারে। ঠিক তারপরের দিনই করোনা ভ্যাকসিনের অভাবে ২৬টি কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তারমধ্যে ২৩টি নভি মুম্বইয়ে অবস্থিত। মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপী অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার মহারাষ্ট্রের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে। মহারাষ্ট্রে প্রতি সপ্তাহে ৪০ লক্ষ ডোজ প্রয়োজন। প্রতিমাসে প্রয়োজন ১.৬ কোটি ডোজ। মহারাষ্ট্রের জনসংখ্যা গুজরাটের প্রায় দ্বিগুন। তারপরেও মহারাষ্ট্র এক কোটি করোনা টিকা ডোজ পেয়েছে। গুজরাটও এক কোটি ডোজ পেয়েছে। তোপী বলেছেন, ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি করা উচিৎ নয়। এক্ষেত্রে কাউকে দোষারোপ করা মহারাষ্ট্র সরকারের উদ্দেশ্য নয়।

যদিও হর্ষবর্ধন কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের অক্ষমতা এখন কেন্দ্রের ওপর চাপাতে চাইছে। মহারাষ্ট্র সরকার করোনা সংক্রমণ নিয়ে প্রথম দিকে অবহেলা করেছে। যার জেরে সারা ভারতে করোনা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। শুধু মহারাষ্ট্র বা উত্তরপ্রদেশ নয়, উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে একটি কেন্দ্রে করোনার টিকা শেষ হয়ে গিয়েছে। যার জেরে করোনার টিকা করণ ওই কেন্দ্রে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here